advertisement
আপনি দেখছেন

সরকার দেশের কমপক্ষে ৮ থেকে ৯ কোটি মানুষকে করোনার টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান। এর মাধ্যমে দেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে। এ ছাড়া আগামী জুন-জুলাই নাগাদ দেশেই করোনার ভ্যাকসিন উৎপাদনের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

cv vac bangladeshদেশেই টিকা উৎপাদনের প্রত্যাশা, ৯ কোটিকে দেয়ার প্রস্তুতি

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ বুধবার করোনার ভ্যাকসিন সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য সচিব সংবাদ সম্মেলনে জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার ভারতের উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন দেশে আসবে। এর পর ভারতে বাংলাদেশ সরকারের কেনা ৫০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আসবে। এভাবে প্রথম ধাপে ১ কোটি ৬০ লাখ মানুষ ভ্যাকসিন কর্মসূচির আওতায় আসবে। পর্যায়ক্রমে ভারত থেকে আরো ৩ কোটি করোনার ভ্যাকসিন দেশে আসবে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স থেকে পাওয়া যাবে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন।

দেশের যে জনসংখ্যা, তাতে ভ্যাকসিনের এই সংখ্যা ঠিক আছে নাকি পরবর্তীতে আরো ভ্যাকসিন আনা হবে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য সচিব আব্দুল মান্নান বলেন, সরকারের প্রস্তুতি রয়েছে যাতে বাড়তি জনগোষ্ঠীর জন্য ভ্যাকসিন আনা যায়। কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ভ্যাকসিন পাওয়া গেলে তার মাধ্যমে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ টিকা কর্মসূচির আওতায় আসবে।

health secretary press conferenceসংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন স্বাস্থ্য সচিব আব্দুল মান্নান

৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ দেওয়া হবে ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে। অন্যদিকে, ভারত থেকে সরকার যে ৩ কোটি ডোজ কিনছে, তা দেওয়া হবে ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষকে। এতে দেশের ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ ভ্যাকসিন পাবে। এর পাশাপাশি ভারত সরকারের উপহার হিসেবে দেওয়া ২০ লাখ রয়েছে। ফলে দেশের মোট জনসংখ্যার ৫ কোটি ১০ লাখ লোক ভ্যাকসিন পাচ্ছে। তবে সরকারের প্রস্তুতি হলো- অন্তত দেশের ৮ থেকে ৯ কোটি মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা, বলেন তিনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বরাত দিয়ে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষকে যদি টিকা দেওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ওই দেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হবে। আমাদেরও প্রস্তুতি রয়েছে, যাতে দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকেই টিকা দেওয়া যায়।

আব্দুল মান্নান আরো বলেন, দেশের ৫ কোটি ১০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার পরও যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে আরো টিকা আমদানি করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে, আগামী জুন থেকে জুলাইয়ের মধ্যে আমাদের দেশেই করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হবে। আর তখন এই ভ্যাকসিন সহজপ্রাপ্য হয়ে যাবে।

sheikh mujib 2020