advertisement
আপনি পড়ছেন

সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণে থাকা রাজধানীর গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের হলি আর্টিজান বেকারি থেকে জিম্মিদের উদ্ধারে চূড়ান্ত অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সকাল সাতটা ৪০ মিনিটের দিকে এই অভিযান শুরু হয়। প্রায় ১০ ঘণ্টা পর শুরু হলো এই অভিযান। পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সোয়াত ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে এ অভিযান শুরু হয়েছে।

gulshan attack

গুলি ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা আর্টিজান বেকারিতে ঢুকে পড়েন। এদিকে সকাল ৭টার দিকে সাতটি সাঁজোয়া যানসহ সেনাবাহিনীর একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। এর কিছুক্ষণ পরেই শুরু হয় এই অভিযান।

অভিযানের শুরুতেই পাচঁ জনকে উদ্ধারের খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। অভিযান শুরুর পর পর হামলাকারিরা ভিতর থেকে একটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এরপর আর তাদের কোনো সাড়া আপাতত পাওয়া যায়নি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কৌশলে তাদের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করছে। 

জিম্মিদের উদ্ধার অভিযানে পুলিশ, র‍্যাব, সোয়াত ও সেনাবাহিনীর কমান্ডোরা অংশগ্রহণ করছে। রাখা হয়েছে নৌ বাহিনীর কমান্ডোদেরও। মূল অভিযানে নামার আগে দীর্ঘ সময় নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। 

মূল অভিযানে নামার আগে নতুন করে রক্তপাত ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী। কিন্তু হামলাকারিরা আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই স্বশস্ত্র পথ বেছে নিতে হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর প্রধানরা উপস্থিত রয়েছেন। উপস্থিত আছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। 

গুলশানের জিম্মির ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। এভাবে মানুষ জিম্মি করে হত্যার ঘটনা বাংলাদেশে এবারই প্রথমবার ঘটলো। এ ঘটনায় এর মধ্যেই পুলিশের দুজন কর্মকর্তা প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। এই প্রতিবেদন সর্বশেষ হালনাগাদ (সকাল আটটা ৫০) করা পর্যন্ত অভিযান চলছিলো। 

আপনি আরো পড়তে পারেন

এক সন্দেহভাজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক

গুলশানের রেস্টুরেন্ট থেকে দুইজন উদ্ধার

হামলাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ, দিচ্ছে ৩ শর্ত

গুরুতর আহত গুলশানের ওসি, অবস্থা আশঙ্কাজনক

গুলশান আক্রমণের খোঁজ নিচ্ছেন ওবামা