advertisement
আপনি দেখছেন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়কার অভিশাপ সেশনজট এবং ইমেজ সংকট এখন আর নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের দুই মেয়াদ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

national university vice chancellorজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ

অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়কার অভিশাপ ছিল সেশনজট। সেটি এখন আর নেই। ইমেজ সংকটও আগের থেকে কমেছে। এমনকি কিছুদিন পূর্বেও এটিকে শিক্ষাবোর্ড হিসেবে দেখা হতো, যেটা এখন তা নেই।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ম-নীতি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে এসে 'দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন' এ নীতি অনুসরণ এবং নানা ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এর মধ্য দিয়ে 'শিক্ষা বোর্ডের' ইমেজ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছি। পরিচালন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে।

National University bangladesh

উপাচার্য বলেন, সব ধরনের সীমাবদ্ধতা ও প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়েছে। আজ এটি আইটিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। শতকরা ৯৫ ভাগ কর্মকাণ্ড অনলাইনের মাধ্যমে সম্পাদন, প্রশাসন ব্যবস্থাকে বিকেন্দ্রীকরণ, প্রতিটি এক একর ভূমির ওপর ৩টি নিজস্ব স্থায়ী আঞ্চলিক কেন্দ্র নির্মাণ এবং সারাদেশে আরো ছয়টি স্থায়ী আঞ্চলিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।

ক্যাম্পাসে আবাসন ব্যবস্থার জন্য এখন ১০ তলা ভিত্তি দিয়ে ৬ তলা বিশিষ্ট দুটি ভবন (একটি কর্মকর্তা ও একটি জরুরি সার্ভিসে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য)-সহ পাঁচটি ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। যা আগে ছিল না।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুনাজ আহমেদ নূর, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মো. মশিউর রহমান, স্নাতকপূর্ব স্কুলের ডিন অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক মনিরুজ্জামান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান, জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক ফয়জুল করিমসহ সংশ্লিষ্টরা।