advertisement
আপনি পড়ছেন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। বিমানবন্দরটির প্রবেশদ্বারে বসানো হয়েছে দুটি চেকপোস্ট। বিমানবন্দরে প্রবেশকারী সকল ব্যাগ-লাগেজ যাত্রীর শরীর তল্লাশি করা হচ্ছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে বাড়ানো হয়েছে এবিপিএন সদস্য সংখ্যা।

shah amanat airport

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি মাসের ১ তারিখে কূটনৈতিক জোন গুলশানে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পরই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি নিরাপত্তা আরো জোরদার করতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত ৫০ জন এবিপিএন সদস্য। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল কর্মকর্তাকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এদিকে দেশের সব বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। নিরাপত্তা বিষয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সঙ্গে বৈঠকের পর মঙ্গলবার মন্ত্রী বলেন, 'বিমান চলাচলে নিরাপত্তার বিষয়ে 'জিরো টলারেন্স' নীতি মেনে চলার নির্দেশ রয়েছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।'

চট্টগ্রাম সিভিল এভিয়েশনের এয়ারপোর্ট ম্যানেজার উইং কমান্ডার রিয়াজুল কবির জানান, ভয়াবহ গুলশান হামলার পর থেকে আমরা সজাগ রয়েছি। সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, সকলেই সতর্ক রয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে ইমিগ্রেশনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আরেফিন জুয়েল জানান, বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তায় আগে ২৫০ জন এবিপিএন সদস্য দায়িত্ব প্রাপ্ত ছিল বর্তমানে ৩০০জন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দরে প্রবেশ করা প্রতিটি গাড়ি ও যাত্রীর শরীর তল্লাশি করা হচ্ছে।

আপনি আরো পড়তে পারেন

প্রধানমন্ত্রী: ইমাম-মুয়াজ্জিনরা জঙ্গিবাদের ব্যপারে সচেতনতা সৃষ্টি করুন

সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে নিশা দেশাইর বৈঠক

শিক্ষামন্ত্রী: শিক্ষকদের ওপরও নজরদারি করা হবে

বাতিল করেও বহাল হল খালেদা জিয়ার জামিন

মেনন: দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার