advertisement
আপনি দেখছেন

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন ‘কোভিশিল্ড’ নাম দিয়ে উৎপাদন করছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। টিকার জন্য এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মাঝপথে এসে টিকা দিকে অপারগতার কথা জানায় তারা। এরপর টিকার জন্য বিকল্প উৎসের সন্ধানে নামে সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে টিকা চাওয়া হয়েছে।

foreign ministry new

আজ মঙ্গলবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

সেরাম ইনস্টিটিউট আপাতত টিকা দিতে পারছে না, বিষয়টা নিশ্চিত হওয়ার পর দ্বিতীয় উৎস হিসেবে রাশিয়ার দিকে হাত বাড়ায় সরকার। চলতি মে মাসেই দেশটি থেকে টিকা আসার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। তৃতীয় উৎস হিসেবে টিকা আসতে পারে চীন থেকে।

এবার চতুর্থ উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে করোনাভাইরাসের টিকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে সরকার। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে টিকা জোগাড়ের ক্ষেত্রে আমরা চেষ্টার কোনো ত্রুটি করছি না। যেখান থেকেই হোক, অতি দ্রুত আমরা কোভিড টিকা নিয়ে আসবো।

corona vaccine 1

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আমরা জানতে পেরেছি, যুক্তরাষ্ট্রের স্টকে অ্যাস্ট্রাজেকার ৬০ মিলিয়ন ডোজ টিকা রয়েছে। চিঠিতে আমরা তাদেরকে বলেছি, হয় তোমরা আমাদেরকে অনুদান দাও। আর যদি তা না হয় তাহলে আমরা কিনে নিতে রাজি আছি। এখনো চিঠির কোনো উত্তর পাইনি।

এর আগে গতকাল সোমবার (৩ মে) চীন থেকে টিকা আনার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, চীনের টিকা ৪-৫ কোটি ডোজ হলেও নেবে বাংলাদেশ। সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।