advertisement
আপনি দেখছেন

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে তিন কোটি ভ্যাকসিন (টিকা) ক্রয়ের চুক্তি করে সরকার। কিন্তু ভারত সম্প্রতি ভ্যাকসিন রপ্তানি নিষিদ্ধ করে। এই অবস্থায় ভ্যাকসিন সংগ্রহে বিকল্প উৎস হিসেবে চীন ও রাশিয়া এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও যোগাগাযোগ করা হচ্ছে।

sinopharm cv vac

জানা গেছে, চীন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি ছাড়াও বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ ডোজ করোনার ভ্যাকসিন দেবে বলে জানিয়েছে। সেই উপহারের ভ্যাকসিন আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পৌঁছেবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন।

তিনি আজ মঙ্গলবার জানান, ঈদুল ফিতরের আগেই ভ্যাকসিন ডেলিভারি (সরবরাহ) দিতে চীনা সরকার কাজ শুরু করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং জানিয়েছেন যে, ঈদের আগেই ভ্যাকসিন ঢাকায় আসা শুরু করবে।

abdul momen foreign minister bd

এদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন যে, আগামী ১০ মে চীনা ভ্যাকসিন দেশে আসবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করবে। কীভবে, কখন এবং কত ডোজ টিকা আসবে তা সিদ্ধান্ত নেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তারাই (স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) জানে কখন এটা আমাদের দরকার।

মে দিবস উপলক্ষে চীনে বর্তমানে ৫ দিনের ছুটি চলছে, যা শেষ হবে ৫ মে। এই ছুটির কারণে চীনে সবকিছু বন্ধ আছে।