advertisement
আপনি দেখছেন

লকডাউনের মধ্যেও ব্যবসায়ীদের বিশেষ অনুরোধে মার্কেট-দোকানপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি পালনের ব্যাপারে। স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, বিধিনিষেধ লঙ্ঘিত হলে মার্কেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী, করোনাবিধি লঙ্ঘন করায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত চায়না টাউন মার্কেট।

china town market

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নয়, আজ মঙ্গলবার (৪ মে) সকাল ১০টার দিকে মার্কেটটি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন- আমরা সরকারকে কথা দিয়েছি, কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন হবে না। তাই তাই সরকারি বাহিনীর হস্তক্ষেপের আগে আমরাই মার্কেটটি বন্ধ করে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, চায়না টাউন মার্কেটে বেশ কয়েকদিন ধরেই ঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছিল না। অনেক সেলসম্যান ছিলেন মাস্ক ছাড়া। আমাদের সমিতির লোকজন বারবার তাদেরকে সতর্ক করেছে। কিন্তু তারা এ ব্যাপারে খুবই উদাসিন। তাই শেষ পর্যন্ত মার্কেটটি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছি।

চায়না টাউন মার্কেটে চার শতাধিক দোকান রয়েছে, কর্মচারী আছেন কয়েক হাজার।

যদি একবার ভাইরাসটি তাদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে সেটা হবে খুবই ভয়াবহ। তাই আগেভাগেই মার্কেটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। দোকান মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, যদি তারা স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে লিখিত কথা দিতে পারে তাহলে মার্কেটটি আবার খুলে দেওয়া হবে।