advertisement
আপনি দেখছেন

চতুর্থ দফায় আরও ১১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। অর্থাৎ, চলমান বিধিনিষেধ বহাল থাকবে ১৬ মে পর্যন্ত। একই সাথে জানানো হয়েছে, শিল্প-কারখানা কিংবা সরকারি-বেসরকারি অন্যান্য সেক্টরে ৩ দিনের বেশি ঈদের ছুটি দেওয়া যাবে না। এবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন- এই ৩ দিনের ছুটিতে কর্মস্থলেই থাকতে হবে সবাইকে।

forhad hosen minister

আজ মঙ্গলবার (৪ মে) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, মূলত আমাদের পরিকল্পনা ছিল ১ দিন ছুটি দেওয়ার। মাঝে শুক্র-শনিবার পড়ে যাওয়ায় সেটা ৩ দিন হয়ে গেছে। ছুটি কম দেওয়ার মূল কারণ হলো- সবাই যেন কর্মস্থলে থাকে। সংক্রমণের এমন অবস্থায় মানুষ ঢাকা ছাড়লে সেটার ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।

‘দেশের সংক্রমণের প্রায় ৮০ শতাংশই রাজধানী ঢাকায়। তাই সরকারের নির্দেশ, ঈদের ছুটিতে কেউ যেন কর্মস্থল ত্যাগ না করে।’ বলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৩ বা ১৪ মে দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। ১২ মে থেকে শুরু হচ্ছে ছুটি। রমজান যদি ২৯ দিনে শেষ হয় তবে ঈদ হবে ১৩ মে। এক্ষেত্রে ১৩ ও ১৪ মেও ছুটি থাকবে। আর রমজান যদি ৩০ দিন পূর্ণ হয় তাহলে ১৫ মেও ছুটি থাকবে। এই ৩ কিংবা ৪ দিনের বেশি ছুটি দেওয়া যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে সরকার।

public administration ministry

করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ৮ দিনের সর্বাত্মক লকডাউন আরোপ করা হয়। ৮ দিনের সেই লকডাউনের মেয়াদ শেষ হয় গত ২১ এপ্রিল। পরে তা আরো এক সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হয়। এরপর আরও একদফা বাড়িয়ে করা হয় ৫ মে পর্যন্ত। এবার তা গিয়ে ঠেকলো ১৬ মেতে।