advertisement
আপনি দেখছেন

কঠোর লকডাউনের মধ্যেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে চলাচল করা একটি ফেরিতে পার হয়েছে প্রায় ১২০০ যাত্রী। পদ্মায় লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় আজ শুক্রবার ঘরমুখো মানুষের ভিড় আছড়ে পড়ে ফেরিতে।

crowds shimulia ferry terminal

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাবাজার ঘাটের একটি সূত্র জানায়, সব নৌযান বন্ধ থাকায় পদ্ম পার হওয়ার একমাত্র বাহন হচ্ছে ফেরি। ফলে একমাত্র বিকল্প হিসেবে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন গাড়ি পারাপার করা ফেরিতে।

ঘাটে ফেরি ভিড়লেই যাত্রীরা হুড়মুড়িয়ে উঠে পড়ায় গাড়ি উঠতে পারছে না। এ কারণে বাধ্য হয়ে ১৩টি ফেরির অনেকগুলো কেবল যাত্রীই পার করছে, বলছেন ঘাট কর্মকর্তারা।

রমজানের শেষ শুক্রবার হওয়ায় আজ একই রকমের পরিস্থিতি দেখা গেছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটেও। এ রুটে চলা ১৫টি ফেরি থাকলেও যাত্রীদের পাড়াপাড়ের কারণে যাববাহন পারাপার বিঘ্নিত হচ্ছে।

আসন্ন ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে এদিন সকাল থেকেই বাড়ি ফেরা যাত্রীদের অস্বাভাবিক ভিড় দেখা যায় ফেরিঘাটে। যাত্রীদের চাপের কারণে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিটিতে।

crowd at paturia ferry terminal

করোনা সংক্রমণের চলমান দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে কঠোর লকডাউন জারি করেছে সরকার। এর ফলে দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও চলছে জেলার গণপরিবহন। ফলে ভেঙে ভেঙে বাড়ি ফিরছেন মানুষ।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক মানুষ পাটুরিয়া ও শিমুলিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করায় জনযট তৈরি হয়েছে। এতে নৌরুট দুটিতে ব্যক্তিগতসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে উভয় পাশে।

দুটি নৌরুটের ফেরিতেই স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে যাত্রীদের গাদাগাদি করে পার হতে দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্কও দেখা যায়নি এ সময়। এর ফলে করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।