advertisement
আপনি দেখছেন

গ্রামে অনেকেই প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের একটি বড় অংশ পরীক্ষা-নিরীক্ষার বাইরে থাকছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম। গ্রামের মানুষ সচেতনতার অভাবেই করোনা পরীক্ষা করাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

khurshid alam health dg 1অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, ফাইল ছবি

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বুধবার তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতার অনেক অভাব রয়েছে। তারা এমন সময় চিকিৎসকের কাছে আসছে, যখন পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাচ্ছে। এমনকি তাদের অনেকেরই অক্সিজেন স্যাচুরেশন ৫০ শতাংশের নিচে থাকছে। আর বেশি সময় ধরে মস্তিস্কে অক্সিজেন স্যাচুরেশন কম থাকলে ‘ব্রেন ডেথ’ হয়ে যায়। তখন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

অধ্যাপক ডা. খুরশীদ আলম বলেন, এ দেশের গ্রামের মানুষ মনে করেন, তাদের করোনা হয় না। আর তাই সর্দি-কাশিকে তারা এক প্রকার উপেক্ষা করেন। তারা চিকিৎসা নিতে আসছে, কিন্তু এমন সময় আসছে যখন তাদের পরিস্থিতি জটিল হয়ে যাচ্ছে এবং তাদের সামাল দেওয়া, এমনকি বাঁচানোও কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

coronaকরোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

জানা যায়, এ পর্যন্ত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে দেড় হাজার রোগী মারা গেছে। এর মধ্যে ৮৩ শতাংশই মারা গেছে ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে। তাছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে সারাদেশের একটি বড় অংশ মারা যাচ্ছে। অথচ তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা যাচ্ছে না।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বিষয়ে বলেন, মানুষের মৃত্যু প্রতিরোধে গণমাধ্যম সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। গণমাধ্যম যদি মানুষকে বেশি বেশি সচেতন করে তুলতে পারে, তাহলে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার অনেক কমে আসবে।