advertisement
আপনি দেখছেন

করোনার সংক্রমণের বাড়বাড়ন্ত অবস্থার মধ্যেই পালিত হয়ে গেল পবিত্র ঈদুল আজহা। তার আগে নাড়ির টানে প্রায় ১ কোটি মানুষ রাজধানী ঢাকা ছেড়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গেছেন। এখন বড় শঙ্কা হয়ে দেখা দিয়েছে তাদের ফিরে আসার বিষয়টি। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম।

khurshid alam health dg 1কথা বলছেন অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম

কঠোর লকডাউনের পর ঈদ উপলক্ষে বিধিনিষেধ শিথিল করেছিল সরকার। মানুষ যেন পরিবারের সাথে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সেজন্য গণপরিবহনসহ সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আগামীকাল শুক্রবার (২৩ জুলাই) থেকে আবারও ১৪ দিনের ‘কঠোরতম’ বিধিনিষেধে ঢাকা পড়ছে দেশ। তাই ঢাকায় ফেরার জন্য হাতে আছে শুধু আজকের (২২ জুলাই) দিনটি।

এ নিয়েই শঙ্কা স্বাস্থ্যের ডিজির। তিনি বলেন, এতগুলো মানুষের ঢাকায় ফেরার জন্য একদিন মোটেও যথেষ্ট নয়। অনেকেই হয়তো ফিরবেন না। তারপরও, যদি গ্রামে যাওয়া মানুষগুলোর চার ভাগের এক ভাগও ঢাকা ফেরার চেষ্টা করেন তাহলেও পরিস্থিতি অনেক খারাপ হতে পারে। এই বিষয়টি চিন্তা করেই ঈদের সময় কারফিউ জারির পরামর্শ দিয়েছিলাম আমরা।

bangladesh risky health department

তিনি আরও বলেন, দেশের হাসপাতালগুলোতে বর্তমানে বিপুল সংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন। সংক্রমণের যে গতি, তাতে কয়েকদিনের মধ্যে ধারণক্ষমতা পূর্ণ হয়ে যাবে। আর যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলেও সংকট দেখা দেবে ভয়াবহ আকারে। তখন কোনো বিধিনিষেধ কিংবা প্রস্তুতি কাজে আসবে না।

‘বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাবছি। এটা আসলে উদ্বেগের বিষয়। যেহেতু মানুষকে বাড়ি যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে, তাহলে ফিরে আসার জন্য আরও দুই-তিনদিন সময় দেওয়া দরকার ছিল। এখন পরিস্থিতি কী হয়, তা বলতে পারছি না।’ বলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম।