advertisement
আপনি দেখছেন

দেশে মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় কিছুটা কম। আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৮ হাজার ৮৫১। একই সময়ে দেশে আরো ৬ হাজার ৩৬৪ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় অনেকটা বেশি। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৯৭ জন। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৪। 

coronaসাম্প্রতিক সময়ে দেশে বেড়েই চলেছে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত, ফাইল ছবি

আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোভিড-১৯ সক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। দেশে করোনা শনাক্তের পর থেকে প্রতিদিনই পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টার আপডেট জানিয়েছে আসছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৭০৫টি। আগের নমুনাসহ পরীক্ষা করা হয়েছে ২০ হাজার ৪৯৩টি। এর মধ্যে আরো ৬ হাজার ৩৬৪ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় অনেকটা বেশি। আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছিল ৩ হাজার ৬৯৭ জন। গত ১২ জুলাই ১৩ হাজার ৭৬৮ জনকে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়, যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৪ জন। এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭৩ লাখ ৯৬ হাজার ৮৬৭টি। 

cv sample test boothবাংলাদেশে করোনার নমুনা সংগ্রহ, ফাইল ছবি

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে আরো ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গতকালের তুলনায় কিছুটা কম। আগের ২৪ ঘণ্টায মৃত্যু হয়েছিল ১৮৭ জনের। এর আগে গত ১৯ জুলাই ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছিল, যা এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে দেশে মোট ১৮ হাজার ৮৫১ জনের মৃত্যু হলো। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ৯৫ জন পুরুষ এবং ৭১ জন নারী। এর মধ্যে ৪ জন বাড়িতে এবং বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ০৫ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৬ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ঢাকা বিভাগেরই ৬০ জন। এ ছাড়া খুলনায় ৩৩, চট্টগ্রামে ৩৩, রাজশাহীতে ৭, বরিশালে ১০, সিলেটে ৮, রংপুরে ১২ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন মারা গেছেন।