advertisement
আপনি দেখছেন

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্ন তুলেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুবদলের বিক্ষোভ সমাবেশে এই প্রশ্ন তোলেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বর্তমানে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন বলে দাবি করছে বিএনপি।

khaleda zia in hospital 9হাসপাতালে খালেদা জিয়া, ফাইল ছবি

খালেদা জিয়াকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিত্যক্ত ভবনে রাখা হয়েছিল উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ইঁদুর ঘোরাঘুরি করতো এমন স্যাঁতসেঁতে ঘরে প্রায় ২ বছর রাখা হয় তাকে, দেয়া হয়নি চিকিৎসা। কারাগার থেকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেদিন নেত্রীকে স্লো পয়জনিং করা হয়েছিল কি না- পরিষ্কারভাবে জানতে চাই আমরা। এদের (সরকার) পক্ষে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।

আওয়ামী লীগ রাতে ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় বসে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ৩৫ লাখ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা, গণতন্ত্রপন্থী নেতাকর্মীকে গুলি করে হত্যা ও পঙ্গু এবং ৫০০ নেতাকর্মীকে গুম করেছে। নেত্রীকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে ১/১১ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়। তাদের পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়।

bnp press clubযুবদলের বিক্ষাভ

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের বিদ্যা, জ্ঞান প্রায় শেষ হয়ে এসেছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা আর বেশি কিছু করতে না পারায় অবিলম্বে বিদেশে নিয়ে যেতে বলছেন। দেশের মানুষের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতারাও তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার পক্ষে। কিন্তু শেখ হাসিনা শুনতে চান না, তার প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধ পরায়ণ মানসিকতা। নেত্রীকে এখন কেবল রাজনীতি থেকে নয়, জীবন থেকেও নিশ্চিহ্ন করার চক্রান্ত করছেন তিনি।

বাংলাদেশকে সরকার বিক্রি করে দিয়েছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ করে করা স্বাধীন দেশে গণতন্ত্র পুরোপুরি নির্বাসিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গণতন্ত্র সম্মেলনে নেপাল, পাকিস্তান, ভারতের নাম আছে। কিন্তু বাংলাদেশের নাম নেই, দেশকে সরকার সেই জায়গায় নিয়ে গেছে।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এদিন সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে যুবদলের সমাবেশ শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি সাইফুল আলম নীরব। তার আগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সেখানে হাজির হন। এ সময় তারা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন।