advertisement
আপনি পড়ছেন

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক পাওয়া স্বামীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন দুই সতীন। ফলে একই ঘর থেকে তিনজন চেয়ারম্যানপ্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওই ব্যক্তির দুই স্ত্রী নৌকা প্রতীকের বিপরীতে লড়বেন না অন্য কারণে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

pabna upনুরুন নবী দুলাল মাস্টার ও তার দুই স্ত্রী

জানা গেছে, পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীক পেয়েছেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুরুন নবী দুলাল। গত বৃহস্পতিবার ছিল মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন। নুরুন নবী দুলাল মাস্টার সেদিন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তার মনোনয়ন দাখিলের আধা ঘণ্টার মধ্যে তার প্রথম স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম ও দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা খাতুন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নূরুন নবী মন্ডল দুলাল পেশায় একজন শিক্ষক। স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন তিনি। ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ছয় মাস আগে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর নেন।

up election 3ইউপি নির্বাচন

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুন নবী এলাকায় জনপ্রিয়। সে কারণেই তিনি চাকরি ছেড়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হয়েছেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাই নিয়ে সংশয় থাকায় তিনি নিজে ও দুই স্ত্রীকে দিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করান। যাতে সমস্যায় পড়লেও পরিবারের কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে কেউ কেউ বলছেন, স্বামীর সাথে মনোমালিন্য ও দুই সতীনের মধ্যে সুসম্পর্কের ঘাটতির কারণে ফেরদৌসী বেগম ও নাসিমা খাতুন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুন নবী বলেন, বিশেষ কিছু কারণে দুই স্ত্রীসহ নিজেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করি। যাতে পরিবারের কেউ একজন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে পারি। অনেক ভেবেচিন্তেই কাজটি করেছি।