advertisement
আপনি পড়ছেন

মাত্র ৪০ টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার দুদিন আগে শিক্ষক প্রশ্নপত্র তুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীর হাতে। এমন ঘটনা ঘটেছে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার বালিপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে। এভাবে স্কুলটির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির প্রায় সব শিক্ষার্থীর হাতেই প্রশ্ন পৌঁছে যায়। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর সবগুলো পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ।

question leakফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র

গত ২৪ নভেম্বর স্কুলটির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথমদিন ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। তার দুদিন আগে অর্থাৎ ২২ নভেম্বর প্রশ্ন হাতে পেয়ে যান শিক্ষার্থীরা। এভাবেই পরীক্ষা চলতে থাকে। গতকাল শনিবারও ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে গুঞ্জন থাকলেও গতকালই বিষয়টি স্পষ্টভাবে জানাজানি হয়ে যায় এবং প্রমাণও মেলে।

জানা যায়, স্কুলটির তিনজন শিক্ষক ব্যাচের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ান। তারা ৪০ টাকা করে প্রশ্ন বিক্রি করেছেন শিক্ষার্থীদের কাছে। মুহূর্তের মধ্যে সেটা ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও। এভাবে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা দিয়েছেন। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগম।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছিলাম। তাদের রিপোর্টে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির সবগুলো পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জবাব হাতে পাওয়ার পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।