advertisement
আপনি পড়ছেন

পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ‘গণতন্ত্র সম্মেলন’ আয়োজন করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী ৯-১০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সম্মেলনে আমন্ত্রিত দেশগুলোর তালিকা গত মঙ্গলবার প্রকাশ করা হয়। তাতে বাংলাদেশের নাম নেই, যা নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

parliament session momen 1

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, দুই পর্বের সম্মেলনের প্রথম পর্বে গণতন্ত্রের দিক থেকে দুর্বল দেশগুলোকে হয়তো ডাক দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশকে বাদ দিয়েছে বলছি না, হয়তো দ্বিতীয় পর্বে ডাকবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের কিছু করার নেই, এটা তাদের দায়দায়িত্ব।

আজ রোববার জাতীয় সংসদে মন্ত্রীর এমন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। একটি বিলের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে তারা বলেছেন, তার বক্তব্য দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়, বিশ্বের জন্য নতুন পাঠ্য বিষয়।

bangladesh us flag 1

বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, আমরা জানতাম, পৃথিবীর সবচেয়ে উদার গণতান্ত্রিক দেশগুলো পশ্চিম ইউরোপ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান। এখন মন্ত্রীর কথায় বুঝলাম, সেগুলো দুর্বল গণতন্ত্রের দেশ। কারণ কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও জাপানের মতো দেশ মার্কিন সম্মেলনে আমন্ত্রিত।

অন্যদিকে, মন্ত্রীর ব্যাখ্যায় গণতান্ত্রিক সম্মেলন থেকে বাদ পড়া দেশগুলো শক্তিশালী গণতন্ত্রের হওয়ার কথা। এই তালিকায় বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, তুর্কমেনিস্তান ও মধ্য এশিয়ার দেশগুলো রয়েছে। এ ছাড়া চীন, উগান্ডা, রুয়ান্ডা, সোমালিয়া, কঙ্গোসহ আফ্রিকার দেশগুলোও আমন্ত্রণ পায়নি গণতন্ত্রের সম্মেলনে।

বিএনপির আরেকজন সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন, গণতন্ত্রের সম্মেলনে বাংলাদেশ দাওয়াত পেলে আর ভারত না পেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলতেন- ভারতের চেয়েও এদেশে গণতন্ত্র শক্তিশালী!