advertisement
আপনি পড়ছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের নতুন ও ভয়ংকর ধরন বা ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বব্যাপী আবারো কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকাসহ আফ্রিকা মহাদেশ এবং ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে।

hazrat jahjalal international airportহযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ফাইল ছবি

এ অবস্থায় করোনার বিপজ্জনক এই ভ্যারিয়েন্ট ঠেকাতে বিভিন্ন দেশ কড়াকড়ি আরোপ করেছে। একই কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া নতুন এই ধরনটি ঠেকাতে দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে আলাদা স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট কোনো দেশ থেকে বা তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে বাংলাদেশে আসা যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।

অবশ্য আকাশপথে আফ্রিকার কোনো দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ নেই। বরং বাংলাদেশে আসতে হলে তৃতীয় কোনো দেশে ট্রানজিট নিয়ে এদেশে প্রবেশ করার সুযোগ রয়েছে। সুতরাং করোনার এই নতুন ধরন ট্রানজিট যাত্রীর মাধ্যমেও যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সতর্ক থাকার জন্য বলা হয়েছে। বেসামরিক বিমান প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, ওমিক্রন ঠেকাতে চার দফা সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি। সুপারিশগুলো হলো- ক. দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া, বতসোয়ানা ও সোয়াজিল্যান্ডসহ সংক্রমণ ছড়ানো দেশগুলো থেকে যাত্রী বাংলাদেশে প্রবেশ বন্ধ করা। খ. বিগত ১৪ দিন আগে এসব দেশ ভ্রমণ করা ব্যক্তিদের ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা, পরীক্ষায় পজিটিভ আসলে আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা।

গ. প্রতিটি ‘পোর্ট অব এন্ট্রি’তে স্ক্রিনিং, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা, স্কুল-কলেজসহ চিকিৎসা সেবা জোরদার করা এবং সভা-সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করা। ঘ. উপসর্গ দেখা দিলে করোনা পরীক্ষায় জনগণকে উৎসাহিত করতে বিনামূল্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা।