advertisement
আপনি পড়ছেন

‘লিভার সিরোসিসে’ আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও সরকার তাতে সায় দেয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে ‘জীবনের ঝুঁকি থাকা’ সত্ত্বেও দেশেই চিকিৎসা নিতে হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে।

khaleda zia in hospital 12হাসপাতালে খালেদা জিয়া, ফাইল ছবি

জানা গেছে, গত প্রায় ৫ মাস ধরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে খালেদা জিয়ার, এতে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তবে চিকিৎসা শেষ করতে আরো কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে তাকে। সে কারণে এখনই বাসায় ফিরতে পারছেন না দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকা বিএনপি নেত্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ১৫ দিন ধরে খালেদা জিয়ার রক্তক্ষরণ বন্ধ রয়েছে, অন্যান্য সমস্যাগুলোও নিয়ন্ত্রণে এসেছে। সবমিলিয়ে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে আরো সময় লাগবে। আরো কিছু চিকিৎসা বাকি থাকলেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

khaleda zia in hospital 11হাসপাতালে খালেদা জিয়া, ফাইল ছবি

এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার অন্যতম চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ম্যাডাম এখনো অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি। তার চিকিৎসায় প্রতিদিন একবার বৈঠক করছেন মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দেশে যতটা সম্ভব সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই, দ্রুত সে ব্যবস্থা করা উচিত। 

খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, হাসপাতালে করোনা রোগী বেড়ে যাওয়ায় খালেদা জিয়াকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে সেখানে পারতপক্ষে না যেতে বলেছেন চিকিৎসকরা। উনি হাসপাতাল ছাড়তে চাইলেও চিকিৎসা শেষ না হওয়ায় বাসায় ফিরতে পারছেন না।

সবশেষ গত ১৩ নভেম্বর রাজধানীর একটি হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয় বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। সেখানে তিনি ‘জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে’ রয়েছেন বলে জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা।