advertisement
আপনি পড়ছেন

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। একই সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর মিছিলও। এ অবস্থায় সংক্রমণ ঠেকাতে কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার।

crowds at trade fairsশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া ভিড়

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত ১০ জানুয়ারি প্রথম ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এর কয়েকদিন পর আরো কিছু নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকেও ৪ দফা সুপারিশ করা হয়- যেখানে মানুষকে মাস্ক পরাতে বিনা মূল্যে মাস্ক বিতরণের কথা বলা হয়।

এ পর্যন্ত যেসব বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো— মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মানা। অর্ধেক কর্মী দিয়ে অফিস পরিচালনা। রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় তথা যেকোনো ধরনের জমায়েতে ১০০ জনের বেশি উপস্থিত না হওয়া। আবার যারা উপস্থিত হবেন, তাদের টিকা নেওয়ার সনদ এবং পিসিআর টেস্টে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট প্রদর্শনের কথা বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে স্কুল, কলেজ ও সমমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

crowds at trade fairs 1শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া ভিড়

কিন্তু এত কিছুর পরও রাজধানীর পূর্বাচলে চলছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে সর্বত্র। এ ছাড়া আগামী মাসের মাঝামাঝি বই মেলা শুরু করার কথাও বলা হয়েছে। যেটা নিয়েও রয়েছে নানা সমালোচনা।

এ অবস্থায় করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধের অংশ হিসেবে বাণিজ্য মেলা বন্ধের সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। একই সঙ্গে আসন্ন বই মেলা আরো পিছিয়ে দেওয়ারও সুপারিশ করা হয়েছে। এর আগে বই মেলা দুই সপ্তাহ পেছানোর ঘোষণা দেওয়া হয়।

কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা আজ মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি, সংবাদ মাধ্যমকে তাদের এই সুপারিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, কোভিড-১৯ জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির পক্ষ থেকে করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে আরো কঠোর হতে সরকারকে সুপারিশ করা হয়েছে।