advertisement
আপনি পড়ছেন

মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স ও বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক চালু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশেও। ২০২৩ সাল নাগাদ স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট বাংলাদেশ চালু হতে পারে। ইতোমধ্যেই স্টারলিংক তাদের ওয়েবসাইটে বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার গ্রহণ করছে। তবে এই সেবাকে নৈতিকতা ও আইনবিরোধী বলছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন, বিটিআরসি।

starlink satellite internetফাইল ছবি

আজ বুধবার ১৮ মে, বিটিআরসির ফেসবুকে পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এমনটাই বলছেন বিটিআরসির ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র।

তিনি বলেন, ইলন মাস্কের স্টারলিংক এখনো পর্যন্ত কোনো আবেদন করেনি এই সেবার জন্য, তবে তাদের ওয়েবসাইট পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে তারা কার্যক্রম শুরু করেছে এবং বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার নিচ্ছে। যা নৈতিকতা ও আইনবিরোধী।

সম্প্রতি স্টারলিংকের পক্ষ থেকে টুইটারে একটি ম্যাপ শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ৩২টি দেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালু হতে যাচ্ছে । ম্যাপে আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশহ বিশ্বের বাকি দেশগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে ‘ওয়েটলিস্ট’ এবং 'শিগগির আসছে' চিহ্ন দিয়ে। শিগগির আসছে চিহ্নিত দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রাজিল, সৌদি আরব, পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ।

ম্যাপে চিহ্নিত দেশগুলো অবিলম্বে ইনস্টলেশন প্যাকেজ পাবে। বাংলাদেশ থেকে প্রি-অর্ডার সেবা পেতে স্টারলিংকের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে ৯৯ ডলার ফি প্রদানের একটি নির্দেশনা আসে। যেখানে বলা হয়েছে, স্টারলিংক ২০২৩ সালে এই এলাকায় তাদের সেবা প্রসারিত করার আশা করছে।

এদিকে, বাংলাদেশ সরকার ও বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়া স্টারলিংক তাদের ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার ঘোষণা কীভাবে দেয়, তা নিয়ে মঙ্গলবার ১৭ মে, বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের অনুমতি ছাড়া ইলন মাস্ক বাংলাদেশে ইন্টারনেট সেবা চালু করতে পারেন না। স্যাটেলাইট দিয়ে আমার দেশে ইন্টারনেট সেবা দিতে পারবে কি না, এমন আবেদন আগে জমা দিতে হবে। তারপর দেশের সম্মতির ওপর নির্ভর করবে প্রি-বুকিং।