advertisement
আপনি দেখছেন

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত সেখানে কমপক্ষে ১৩৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে ৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন বলে জানানো হয়। এছাড়া সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, একজন বাংলাদেশি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারেন তিনি।

beirut explosion 02

লেবাননের বাংলাদেশ দূতাবাসের হেড অফ চ্যান্সারি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এখন পর্যন্ত আহত হওয়া ৯৯ বাংলাদেশির তালিকা আমাদের হাতে আছে। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশি আরেকজন শ্রমিককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছেন, এমন আশঙ্কাও অমূলক নয়। তেমনটা হলে তার জীবিত থাকার সম্ভাবনা নেই।

স্থানীয় সময় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লেবাননের রাজধানী বৈরুতে জোড়া বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণ দুটির তীব্রতা এতই বেশি ছিলো যে সেখানে ৩ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর তীব্রতা টের পাওয়া যায় বৈরুত শহর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ভূমধ্যসাগরের অপর প্রান্তে অবস্থিত সাইপ্রাসেও। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘটনাস্থল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরের স্থাপনাও। বিস্ফোরণের পর শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

beirut explosion 7

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈরুতের বন্দরের কাছে একটি রাসায়নিক গুদাম ছিলো। যেখানে গত ৬ বছর ধরে ২ হাজার ৭৫০ টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে ছিলো। সেই রাসায়নিক থেকেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এই ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কাজ করছে একাধিক তদন্ত কমিটি।

sheikh mujib 2020