advertisement
আপনি দেখছেন

রাস্তার পাশের ফুটপাতের দোকান কিংবা সাধারণ রেস্তোরা অথবা পাঁচ তারকা হোটেল প্রতিটি খাবারেরই আলাদা আলাদা বৈশিষ্ট রয়েছে। মান থেকে শুরু করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, স্বাদ-গন্ধ বা পরিবেশন সবকিছুতেই থাকে ভিন্নতা। দামেও থাকে ব্যাপক তারতম্য। তাই বলে রাস্তার পাশের ফুটপাতে ১৫ টাকায় বিক্রি হওয়া একটি সিদ্ধ ডিম পাঁচ তারকা হোটেলে ৬৬০ টাকা, এটা একটু বেশিই বাড়াবাড়ি।

boiled eggপ্রতীকী ছবি

তবে বৃহস্পতিবার এমনটাই ঘটেছে ভারতের গুজরাটের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে। যেখানে এক সঙ্গীত পরিচালকের কাছ থেকে তিনটি সিদ্ধ ডিমের দাম রাখা হয়েছে প্রায় দুই হাজার টাকা। যদিও এ ধরনের ঘটনা এবারই প্রথম নয়, এর আগেও বহুবার পাঁচ তারকা হোটেলের খাবারের দাম নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানায়, ওইদিন দেশটির আহমেদাবাদের 'হায়াত রিজেন্সি' নামের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে নাস্তা করতে যান সঙ্গীত পরিচালক শেখর রবজিয়ানি। নাস্তা করা শেষে তিনি বিল দিতে গিয়ে দেখেন তিনটি সিদ্ধ ডিমের দাম ধরা হয়েছে এক হাজার ৬৭২ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক হাজার ৯৮০ টাকা। সে হিসেবে প্রতিটি ডিমের মূল্য দাঁড়ায় ৬৬০ টাকা।

বিলটির একটি ছবি তুলে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে পোস্ট করেন শেখর। তাতে দেখা যায়, হোটেলটি তার খাওয়া তিনটি সিদ্ধ ডিমের দাম ধরেছে এক হাজার ৩৫০ রুপি। এর সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত করেছে আরো ৩২২ রুপি। মোট এক হাজার ৬৭২ রুপি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখরের ওই পোস্টের পর পরেই পাঁচ তারকা হোটেলগুলোর খাবারের দাম নিয়ে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। অনেকেই আবার বিষয়টিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্বক মন্তব্যও করেছেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি বছরের আগস্টে মুম্বাইয়ের ফোর সিজন্স হোটেলের এমন একটি ডিমকাণ্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তা নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। হোটেলটিতে দুটি সিদ্ধ ডিমের দাম রাখা হয়েছিল প্রায় দুই হাজার টাকা (১৭০০ রুপি)। সেই সময় বিলটির একটি ছবি তুলে নিজের টুইটারে পোস্ট করেছিলেন ফটোগ্রাফার কার্তিক ধর।

চলতি বছরের জুলাই মাসে চণ্ডীগড়ের একটি পাঁচ তারকা হোটেলের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন বলিউড অভিনেতা রাহুল বোস। সেখানে তাকে দুটি কলার জন্য প্রায় ৫০০ টাকা (৪৪২ রুপি) দিতে হয়েছিল।

sheikh mujib 2020