advertisement
আপনি দেখছেন

পাঁচ শিশুকে শিক্ষা দিতে হবে তিন মাস। তারপর শিশুদের অভিভাবক যদি আদালতে সাক্ষী দেয় যে, ওই ব্যক্তি তাদের সন্তানদের ভালোভাবেই শিক্ষা দিয়েছেন- তাহলেই কেবল মিলবে মুক্তি। এক মাদক কারবারীকে ভারতের বিহার রাজ্যের মধুবনী জেলার ঝঞ্জরপুরের একটি জেলা আদালত এমনই অভিনব শাস্তি দিয়েছে। দ্য হিন্দু এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

bihar smmaglingবিহারের এক রাজ্যে দেয়া হয় এ অভিনব শাস্তি, ফাইল ছবি

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, ওই জেলা আদালত গতকাল মঙ্গলবার নীতিশ কুমার নামে পরিচিত এক মাদক কারবারীকে জামিন দিয়েছেন। কিন্তু সেই সাথে শর্ত দেয়া হয়েছে, পাঁচটি শিশুকে তিন মাস ধরে পড়ালেখা শেখাতে হবে।

অতিরিক্ত সেশন কোর্টের বিচারক অবিনাশ কুমার বলেন, নীতিশ কুমার তিন মাসের জন্য দরিদ্র শিশুদের শিক্ষার দায়িত্ব নেবেন এবং একই সময়ে বিহারের মদ নিষিদ্ধ আইন কঠোরভাবে অনুসরণ করবেন।

আদালতের আদেশ অনুসারে, অভিযুক্ত তিন মাসের দায়িত্ব পালন শেষে শিশুদের পরিবারের সদস্যরা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব কতটুকু সফলতার সাথে পালন করেছে, তার একটি করে সার্টিফিকেট দেবে। তার ওপর ভিত্তি করেই তার শাস্তির ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বিহারের মাদক আইনের ব্যত্যয় ঘটায় গত বছরের ১৬ নভেম্বর মাধেপুর থানায় নীতিশের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপর থেকে তিনি জেল খাটছিলেন। জলধারী পাসওয়ান নামের এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ আনেন। তিনি বলেন, পাচাহি গ্রামের কাছে মাদক কারবারীদের ঠেকাতে তিনি অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তারা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সরকার রাজ্যে ২০১৬ সালে মদ নিষিদ্ধ করে আইন পাস করে। তবে কঠোর শাস্তি সত্ত্বেও সেখানে মদ চোরাচালান, বিক্রি ও সেবনের অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়।