advertisement
আপনি দেখছেন

ইসলামি শরিয়তের একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিধান হলো কোরবানি। কোরবানির ফজিলতের ব্যাপারে হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, সাহাবায়ে কেরাম নবী করিম (সা.)-এর কাছে জানতে চাইলেন, হে আল্লাহর নবী! কোরবানির ফজিলত কী? নবী (সা.) বললেন, কোরবানি হলো তোমাদের পিতা হজরত ইবরাহিম (আ.) -এর সুন্নত। কোরবানির পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে সওয়াব রয়েছে; (মুসনাদে আহমাদ)।

kurbani importance

কোরবানি সবার ওপর আবশ্যক নয়। সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপরই শুধু কোরবানি আবশ্যক। ইসলামী শরিয়তের আলোকে জেনে নিই, কার ওপর কোরবানি আবশ্যক এবং কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হয়।  

১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে যেসব প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক, মুকিম ব্যক্তির কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ অর্থাৎ দৈনন্দিন প্রয়োজনের অতিরিক্ত ৫৫ হাজার টাকা থাকবে তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক।

বিশেষজ্ঞরা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার মূল্য ধরে কোরবানির নিসাব ৫৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করেছেন। তবে এ সম্পদ জাকাতের মত পূর্ণ এক বছর অতিক্রম হওয়া শর্ত নয়।

এ হিসেবে মস্তিষ্ক বিকৃত কিংবা শিশু অথবা মুসাফির সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও তার ওপর কোরবানি করা আবশ্যক নয়।

প্রত্যেক ব্যক্তি তার নিজের নামে কোরবানি করবে। তারপর পরিবারের জীবিত অথবা মৃত অন্য সদস্যদের নামে চাইলে কোরবানি দিতে পারবে। কোনো কারণে কোরবানি করতে না পারলে কোরবানির অর্থমূল্য সদকা করে দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিজ্ঞ আলেমরা।

- আদ্দুররুল মুখতার, ৬ষ্ঠ খন্ড, ৩১৫ পৃষ্ঠা এবং বাদায়েউস সানায়ে, ৪র্থ খন্ড, ১৯৪ পৃষ্ঠা।

sheikh mujib 2020