advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 23 মিনিট আগে

বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর অসংখ্য মানুষ ক্যান্সারের কারণে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, ক্যান্সার যদি প্রাথমিক স্তরে শানাক্ত করা যায়, তাহলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্যান্সার ধরা পড়ে তৃতীয় বা চতুর্থ পর্যায়ে। এই পরিস্থিতিতে ক্যান্সারের চিকিৎসা বা মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

cancer cel

সম্প্রতি এক গবেষণায় প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে অবিশ্বাস্যভাবে নাম ওঠে এসেছে কুকুরের। শুনতে অবাক লাগলেও কুকুরের তীব্র ঘ্রাণশক্তি প্রাথমিক পর্যায়েই ক্যান্সার শনাক্ত করতে সক্ষম বলে দাবি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ‘আমেরিকান সোসাইটি ফর বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি’র গবেষকরা।

গবেষকরদে দাবি, ৯৭ শতাংশ ক্ষেত্রেই নির্ভুলভাবে ক্যান্সার শনাক্ত করতে পারে কুকুর। তবে তার জন্য তাদের সুনির্দিষ্ট প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। দীর্ঘদিন ধরে গবেষণার পর এ বিষয়ে প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

এই পরীক্ষার জন্য চারটি বিরল প্রজাতির কুকুরকে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর ম্যালিগন্যান্ট লাং (ফুসফুসের ক্যান্সার) ক্যান্সারে আক্রান্তদের রক্তের সিরাম এবং সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তিদের রক্তের সিরামের মধ্যে পার্থক্য করতে সক্ষম হয় ওই কুকুরগুলো।

গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক হিথার জ্যানকুয়েরা জানান, কুকুরের ঘ্রাণশক্তি মানুষের তুলনায় ১০ হাজার গুণ বেশি শক্তিশালী। তাই এই পদ্ধতিতে কুকুরের ঘ্রাণশক্তি কাজে লাগিয়ে যদি প্রাথমিক পর্যায়েই রোগটিকে শনাক্ত করা যায়, সে ক্ষেত্রে ক্যান্সার সারিয়ে রোগীর বাঁচার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যাবে। কারণ ক্যান্সার যত দ্রুত ধরা পড়বে, এ রোগের চিকিৎসা করাও ততই সহজ হবে।

sheikh mujib 2020