advertisement
আপনি দেখছেন

যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পরিবর্তন হচ্ছে মানুষের খাদ্যাভাস। আগে নিয়মমাফিক তিন বেলা খাবার খাওয়ার অভ্যাস থাকলেও এখন তা পরিবর্তন হয়ে গেছে। খুব কম সংখ্যক মানুষ নিয়মমাফিক খায়। অধিকাংশেরই, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের খাওয়ার কোনো রুটিন নেই। তারা ঘুম থেকে ওঠে বেলা করে, লাঞ্চ করে বিকেলে, আর রাতের খাবার খায় ১১-১২টা নাগাদ।

acidity tips

ফলে তাদের মধ্যে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝাল খাবার খাওয়া, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, দুশ্চিন্তা, ব্যায়াম না করা, অতিরিক্ত মদ্যপান, চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে এমনটা হচ্ছে। তাই এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে ও শরীরকে সুস্থ রাখতে তারা বেশ কয়েকটি দিক-নির্দেশনা দিয়েছেন।

চলুন সেগুলো জেনে নেয়া যাক...

সময় মতো খাবার খাওয়া

প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে সকালের নাস্তা, দুপুরে লাঞ্চ ও রাতে ডিনার করতে হবে। অল্প করে ও কয়েক বেলা খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিবেলা খাবারের মাঝে মোটামুটি তিন-চার ঘণ্টা সময়ের ব্যবধান রাখলে হজম সহজ হয়।

হালকা খাবার খাওয়ার অভ্যাস

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে বর্তমানে পার্টি-অনুষ্ঠানের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। এসব অনুষ্ঠানে সাধারণত চর্বি জাতীয় খাবার বেশি থাকে। এ জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে খাবারের তালিকায় দেশি মুরগির মাংস, সেদ্ধ ডিম, সবজি, সামুদ্রিক মাছ, চর্বিবিহীন মাছ, এসব রাখতে পারেন।

গ্রিন-টি পান করুন

হালকা নাস্তায় কিংবা অন্য যেকোনো সময় সবাই চা-কফি পান করেন। এটা ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে দুধ চা এড়িয়ে চলতে হবে। শরীরকে সতেজ রাখতে গ্রিন-টি পান করতে পারেন। এটা শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। মাঝে মধ্যে ডাবের পানিও পান করতে পারেন।

green tea new

খালি পেটে গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার পর খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। এতে শরীরের ক্ষতিকর টক্সিন সরে যাবে। পাশাপাশি শরীরে পানির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এছাড়া হজমশক্তি বাড়াতে খাবার শেষে নিয়মিত টক দই খেতে পারেন। কাজের ফাঁকে বিভিন্ন পুষ্টিকর ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।

sheikh mujib 2020