advertisement
আপনি দেখছেন

দিন যত যাচ্ছে করোনাভাইরাস ততই নতুন নতুন উপসর্গ নিয়ে হাজির হচ্ছে। ভাইরাসটির সংক্রমণের শুরুর দিকে এটির উপসর্গ ছিল সর্দি-জ্বর, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্ট। আর বর্তমানে হার্ট, কিডনি, ডায়রিয়া, মাংসপেশির ব্যথা, মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার মতো উপসর্গও প্রকাশ পাচ্ছে। আবার অনেকের শরীরে কোনো উপসর্গই প্রকাশ পাচ্ছে না। তারা অন্য করোনা রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে সংক্রমিত হচ্ছেন।

corona virus new photo

এ বিষয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বর্তমান উপদেষ্টা ডা. মোস্তাক হোসেন বলেন, এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস তার আচরণে কোনো পরিবর্তন করেনি। তবে এটি শুধু শ্বাসতন্ত্রের ওপরই নয়, বরং হৃৎপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি, লিভারসহ সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর আঘাত করে। কিন্তু আমরা সেটা আগে বুঝতে পারিনি। তাই কেনো মানুষ মারা যাচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছিল না।

নতুন ভাইরাস বলে সব কিছু আগে বোঝা যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটির চিকিৎসা করা চ্যালেঞ্জিং। শুরুতে করোনার জন্য আলাদা হাসপাতাল করা হয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, করোনার রোগীর কিডনি, মস্তিষ্ক, লিভার, হার্ট বা অন্য অঙ্গেও সমস্যা হচ্ছে। আর সে জন্য এখন জেনারেল হাসপাতালেও করোনার চিকিৎসা চালু করা হচ্ছে।

corona virus 111

আইইডিসিআরের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এএসএম আলমগীর হোসেন বলেন, বাংলাদেশে করোনার যে সিকোয়েন্সগুলো করা হয়েছে, তার সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য দেশে করা সিকোয়েন্সগুলোর মিল রয়েছে। তাছাড়া আচরণগত পরিবর্তনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক আচরণগত পরিবর্তনের কথা জানিয়েছিলেন। ভারতের কিছু বিজ্ঞানীও একই কথা বলেছেন। কিন্তু বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল নেই।

তিনি বলেন, দেশে ৮০টির বেশি করোনার সিকোয়েন্স হয়েছে। এসব গবেষণায় আচরণগত পরিবর্তনের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সিকোয়েন্সগুলোর সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের করোনার আচরণ একই। চীনে ভাইরাসটির সংক্রমণের যে সক্ষমতা ছিল এখনো একই আছে। পেনডেমিকের ন্যাচার হচ্ছে দ্রুত ছড়ানো। তাই এটি পুরো পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।

sheikh mujib 2020