advertisement
আপনি দেখছেন

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এবার সুখবর দিয়েছে জার্মান বায়োটেক সংস্থা বায়োএনটেক। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফাইজার সঙ্গে যৌথভাবে তারা করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে। ইতোমধ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালেও ভ্যাকসিনটির সফলতা মিলেছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

vaccine two

ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীর শরীরে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে এ টিকার সফলতা মিলেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীর দেহে প্লাজমা থেরাপির চেয়ে বেশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে টিকাটি। গতকাল বুধবার ভ্যাকসিনটির ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

বায়োএনটেক জানায়, পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তাদের তৈরি ভ্যাকসিনটি অনেকাংশেই সফল। যাদের ওপর এটি প্রয়োগ করা হয়েছে, তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে এবং দেহে তৈরি হয়েছে অ্যান্টিবডি।

হাসপাতালে ভর্তি মোট ৪৫ জন করোনা রোগীর দেহে ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হয়। এদের প্রথম ১২ জনকে ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ, দ্বিতীয় ১২ জনকে ৩০ মাইক্রোগ্রামের এবং তৃতীয় ১২ জনকে ১০০ মাইক্রোগ্রাম ডোজ প্রয়োগ করা হয়।

vaccine one

পরীক্ষায় দেখা গেছে, ১০০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগকৃত রোগীদের মধ্যে অনেকেরই জ্বর, মাথাব্যথা, ঘুম নষ্ট হওয়ার মতো একাধিক উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তিন সপ্তাহ পর এদের আর দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হয়নি। এ ছাড়া ১০ মাইক্রোগ্রামের ডোজ প্রয়োগকৃত রোগীদের ৮ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ৩০ মাইক্রোগ্রাম প্রয়োগকৃতদের ৭৫ শতাংশের জ্বর এসেছে।

সব মিলিয়ে ৫০ শতাংশ রোগীর মধ্যে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তবে এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনোটিই প্রাণঘাতী নয়, এমনকি হাসপাতালে ভর্তি করার মতোও নয়। বাকি ৫০ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে পিফিজারের ক্লিনিক্যাল ভ্যাকসিন রিসার্চ বিভাগের ভাইস-প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম গ্রুবার বলেন, ভ্যাকসিনটি প্রয়োগে আক্রান্ত রোগীর শরীরে এমন কিছু অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, যা জীবাণুকে ধ্বংস করতে সক্ষম। এটি সুস্থ হয়ে উঠা রোগীর দেহে অ্যান্টিবডির পরিমাণ ১.৮-২৮ গুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে। ফলে এটি নিয়ে আমি অনেক বেশি আশান্বিত।

sheikh mujib 2020