advertisement
আপনি দেখছেন

মরণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবাই এখন মাস্ক ব্যবহার করছেন। চাহিদা মেটাতে বাজারেও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক। জানা যায়, এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর এন৯৫ মডেলের মাস্ক। এর দাম এতোটাই বেশি যে সবাই ব্যবহারে সামর্থ্য নেই। অন্য মাস্কের মতো ধোয়াও যায় না। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ইয়ের এক গবেষণা দেখা যায়, রাইস কুকারের মাধ্যমে এই মাস্কে লেগে থাকা সব জীবাণু মেরে ফেলা সম্ভব।

n95 maskএন৯৫ মডেলের মাস্ক

গবেষকরা বলছেন, রাইস কুকারের মধ্যে মাস্কটি ৫০ মিনিট তাপ দিলেই সব ভাইরাস মরে যায়। এতে ফিল্টারের কোনো ক্ষতি হয় না। মাস্ক অক্ষত থাকে। যা পরে ব্যবহার করা যায়।

ফক্স নিউজের বরাতে জানা যায়, করোনাভাইরাসের এই মহামারিতে মাস্কের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হাঁচি কাশি থেকে বের হওয়া ড্রপলেট আটকাতে সবচেয়ে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে মাস্ক। এর মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর এন৯৫। করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের যারা চিকিৎসা দিচ্ছেন তারাই সাধারণত এই মাস্ক ব্যবহার করছেন। সাধারণ মানুষেরও কেউ কেউ ব্যবহার করছেন।

pandemic symbolic picture2করোনাভাইরাসের প্রতীকী ছবি

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে ভাইরাসটি তলের মাস্কে ২ থেকে ৩ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। তাই আশঙ্কার কথা হচ্ছে এই মাস্কে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি থাকলে তা যে কাউকেই সংক্রমিত করতে পারে।

এই সমস্যা সমাধানে ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের গবেষকরা মাস্কটি পরিষ্কার করার পরামর্শ দিচ্ছেন। গবেষণায় তারা দেখতে পান, রাইস কুকারের মধ্যে মাস্কটি ৫০ মিনিট ২১২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে রাখলে কোনো ভাইরাসই জীবিত থাকতে পারে না। ফিল্টারগুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে যায়।

গবেষণায় নেতৃত্ব দেয়া গবেষক বিশাল ভার্মা বলেন, আমরা এন৯৫ মাস্ক নিয়ে গভীর পর্যালোচনা করেছি। এর ফিল্টারগুলোর মধ্য দিয়ে কীভাবে ক্ষুদ্র কণাগুলো প্রবেশ করছে তাও পরীক্ষা করে দেখি। এতে দেখা যায়, মাস্কটি ৯৫ শতাংশ কণা আটকাতে সক্ষম। এরপর আমরা রাইস কুকারে একে জীবাণুমুক্ত করি। কিন্তু এরপরেও আমরা একই ফলাফল পাই। ২০ বার রাইস কুকারে তাপ দেয়ার পরেও আমরা একই ফলাফল পেয়েছি।

তবে গবেষকরা সাবধান করে বলেন, মাস্ক রাইস কুকারে বিশুদ্ধ করার সময় কোনোভাবেই পানি দেয়া যাবে না। অবশ্যই ড্রাই হিট হতে হবে। তবে আপনি চাইলে মাস্কটি একটি তোয়ালেতে মুড়িয়ে রাইস কুকারের মধ্যে রাখতে পারেন।

sheikh mujib 2020