advertisement
আপনি দেখছেন

এক নীরব ঘাতকের নাম ডায়াবেটিস। রক্তে চিনির বাড়তি মাত্রাকেই ডায়াবেটিস বলে। আক্রান্ত রোগীর হার্ট, লিভার, চোখ এবং দাঁত ধীরে ধীরে বিকল হয়ে যায়। ডেন্টাল সার্জনদের পরামর্শ- ডায়াবেটিসের রোগীকে অবশ্যই দাঁতের বিশেষ যত্ন নিতে হবে। নয়তো অল্প সময়ের মধ্যে দাঁত এবং মাড়ির ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

teeth care coconut oil

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর প্রধান সমস্যাগুলোর একটি হলো মুখের লালা শুকিয়ে যাওয়া। মেডিকেল সাইন্সের ভাষায় একে বলে 'জেরোস্টোমিয়া'।

১. একজন সুস্থ মানুষের লালা গ্রন্থি থেকে অনবরত লালা নিঃসরণ হতে থাকে। লালার কাজ হল মুখের ভেতর জমে থাকা খাবারের কনা এবং জীবাণুর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা। লালা শুকিয়ে গেলে নানান ধরনের জীবাণু সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে দাঁত এবং মাড়িতে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

২. মুখের লালা নিঃসরণ কমে গেলে আরো কিছু সমস্যা দেখা দেয়। লালা কম থাকার ফলে মুখ-জিহবা শুকিয়ে যায় এবং ঠোঁট ফাটা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে বাঁচতে বেশি করে পানি পান এবং ঠোঁট আদ্র রাখার ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।

৩. মুখের স্বাস্থ্যের যত্ন না নিলে জিভে এবং মাড়িতে ছোট ছোট ঘা দেখা দিতে পারে। সমস্যা এখানেই শেষ নয় মাত্র শুরু। কেননা ঘা আরো বড় অসুখের পূর্বাভাস।

৪. ডায়াবেটিসের রোগীকে প্রতিদিন দুইবার ব্রাশ করতেই হবে।

৫. দাঁতের ফাঁকে যেন খাবার আটকে না থাকে সেটি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিদিনই দাঁত ফ্লাশিং করা জরুরি।

৬. ডায়াবেটিসের রোগীর একটি কমন সমস্যা হল মাড়ির নিচের হাড় ক্ষয় হয়ে যাওয়া। এতে দাঁত ও মাড়ির মাঝখানে এক ধরনের গভীর গর্ত তৈরি হয়। যেখানে খাবার জমে দাঁতের ক্ষয়কে দ্রুত করে। নিয়মিত দাঁতের যত্ন নিলে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখলে এমন মারাত্মক ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৭. যেসব খাবার দাঁতে আটকে থাকে ওগুলো খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভালোভাবে কুলি করে ফেলতে হবে।

৮. ধূমপানসহ সব ধরনের তামাক জাতীয় পণ্য অবশ্যই পরিহার করতে হবে।

sheikh mujib 2020