advertisement
আপনি দেখছেন

শিগগিরই বাজারে আসতে পারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কোম্পানির তৈরি সম্ভাব্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন। তবে শুরুর দিকে এই ভ্যাকসিন সবাই পাবে না। বিশেষ করে তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারীদের না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এমনটাই জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

who logo

বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভার্চুয়াল এক অনুষ্ঠানে ডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন জানান, সম্ভাব্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে সবার আগে অগ্রাধিকার পাবে চিকিৎসক-নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে করোনা মোকাবেলায় সামনে থেকে কাজ করা সকল যোদ্ধা এবং সংক্রমিত রোগীরা। বয়স্কদেরও আগে দেয়া উচিত।

তবে তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারীরা ভ্যাকসিন সবার পরে পাবে। হয়তো ২০২২ সাল পর্যন্ত তাদের অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি।

who soumya swaminathanডব্লিউএইচওর প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের দিয়ে প্রতিষেধক দেয়া শুরু করা উচিত বলে অনেকেই বলবেন। এ ছাড়া চিকিৎসক-নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে করোনা মোকাবেলায় সামনে থেকে যারা কাজ করছেন, তাদেরও ভ্যাকসিন প্রয়োজন। অবশ্য তাদের মধ্যে কারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে তা খেয়াল করতে হবে।

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ভ্যাকসিনের বিকল্প নেই জানিয়ে এই বিজ্ঞানী বলেন, শুধু হার্ড ইমিউনিটিতে ভরসা রাখলে প্রাণহানির আশঙ্কা থেকে যাবে। তাই হার্ড ইমিউনিটির কথা না বলে বরং প্রতিষেধকের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর কথা বলা উচিত। অন্তত ৭০ শতাংশ যেন প্রতিষেধক দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

cv 19 young peopleতরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারীরা এখনই ভ্যাকসিন পাবে না

'যত দিন পর্যন্ত হার্ড ইমিউনিটি অর্জিত না হচ্ছে, ততদিন মাস্ক পরিধান করা, বার বার হাত ধোওয়া, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে,' বলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা।

sheikh mujib 2020