advertisement
আপনি দেখছেন

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছে দ্রুত ও সহজে ছড়ানো ভারতীয় বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার। ভ্যারিয়েন্টটির সংক্রমণের এই ভয়াবহতার পেছনে শক্তি জুগিয়েছে টি-১৯আর (T19R) মিউটেশন। এবার ডেল্টার নতুন মিউটেশন (AY.4.2) যুক্তারাজ্যের পর ভারতেও হানা দিয়েছে।

delta ay42ডেল্টার নতুন মিউটেশন

দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কর্ণাটক রাজ্যে এই প্রজাতিতে আক্রান্ত হিসেবে এখন পর্যন্ত ৭ জন শনাক্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সেখানকার রাজধানী বেঙ্গালুরুতে এতে আক্রান্ত ৩ জনই সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। তারা যাদের সংস্পর্শে গেছেন, তাদেরও পরীক্ষা করানো হয়েছে।

সংখ্যাটি খুব কম হলেও এরইমধ্যে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গবেষক ফোরাম আইএনএসএসিওজি। এ নিয়ে জনগণকে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কর্ণাটকের স্বাস্থ্য কমিশনার ডি রণদীপ।

delta variantডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট, প্রতীকী ছবি

এ সংক্রান্ত প্রযুক্তি উপদেষ্টা কমিটি নতুন প্রজাতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, নয়া প্রজাতি ঠেকাতে এখনো কনটেনমেন্ট জোন তৈরি করতে হয়নি। ফলে ভারতে তৃতীয় ঢেউয়ে আসার মতো কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত হাতে আসেনি। সংক্রমণ বাড়লে জিনোমিক সিকোয়েন্সিং বাড়ানো হবে।

ইকোনমিক টাইমস জানায়, করোনার নতুন প্রজাতির বিস্তার ঠেকাতে সকল ধরনের সুরক্ষা বলয় গড়ার প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছে। বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের ৭২ ঘন্টা আগে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা, সেই সনদ এয়ার সুবিধা নামক পোর্টালে আপলোড করা হচ্ছে। কোয়ারেন্টাইনে রাখার বিধিনিষেধ জারি করা না হলেও পরিস্থিতির অবনতি হলে নানা বিধি আরোপ করা হবে।

করোনার নতুন প্রজাতির সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে যুক্তরাজ্যে, এরপরেই রাশিয়া ও ইসরায়েলের অবস্থান। এসব দেশে সংক্রমণের নতুন ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কেননা, গত কয়েক মাসে এই প্রজাতিতে আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে ব্রিটেনে। দেশটির স্বাস্থ্য নিরাপত্তা এজেন্সি বলছে, গত সপ্তাহে আক্রান্তের ৬ শতাংশের জন্য AY.4.2 মিউটেশন দায়ী।