advertisement
আপনি দেখছেন

দক্ষিণ এশীয়দের প্রতি তিন জনের এক জনের শরীরে করোনার উচ্চ ঝুঁকি তৈরিতে সক্ষম একটি জিন পাওয়া গেছে। এর ফলে ফুসফুস বিকল হওয়া ও মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ হতে পারে তাদের। ব্রিটিশ গবেষকদের সাম্পতিক এক গবেষণায় ওই জিনের সন্ধান মিলেছে।

lztfl 1এলজেডিএফএল১ জিন

বিজ্ঞান সাময়িকী দ্য নেচার জেনেটিক্স-এ জিনের ওপর পরিচালিত গবেষণার ফলাফল নিয়ে নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় ধারাবাহিক পরীক্ষা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অণু প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন বিজ্ঞানীরা। এতেই করোনার ঝুঁকি বাড়ানোর জন্য দায়ী ‘এলজেডিএফএল১’ (LZTFL1) জিনের সন্ধান পান তারা।

গবেষকরা বলছেন, যাদের শরীরে এই জিনের উপস্থিতি রয়েছে, করোনা আক্রান্ত হলে তাদের ফুসফুস সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হবার ঝুঁকি থাকে। সংক্রমণ প্রতিরোধ করা ফুসফুসের কোষের আস্তরণের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয় ঝুঁকিপূর্ণ এই জিন। এর ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তদের মধ্যে ৬৫ বছরের কম বয়সীদের মৃত্যুঝুঁকি দ্বিগুণ করে তোলে।

corona in controlকরোনা প্রতিরোধ, প্রতীকী ছবি

বলা হচ্ছে, ৬০ শতাংশ দক্ষিণ এশীয়দের শরীরে এমন উচ্চ ঝুঁকির জিনটি রয়েছে। ইউরোপীয়দের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ১৫ শতাংশ। এ ছাড়া ২ শতাংশ আফ্রিকান-ক্যারিবীয় ১.৮ শতায়শ পূর্ব এশীয়দের শরীরে এই জিন মিলেছে।

তবে ঝুঁকিপূর্ণ এই জিনটি সকল জনগোষ্ঠীর শরীরে সমান অনুপাতে নাও থাকতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। সে কারণেই এই জিনটি থাকা ব্যক্তিরা করোনা আক্রান্ত হলে অন্যদের চেয়ে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন তারা, বলছে এই গবেষণার ফল।