advertisement
আপনি দেখছেন

পরিবর্তনশীল গণমাধ্যম জগতের সাথে মানিয়ে নেয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা এবং পারস্পরিক বিনিময় ও অংশীদারিত্ব প্রসারের লক্ষ্যে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান সংবাদ সংস্থাগুলোর কর্তাব্যক্তিরা বৃহস্পতিবার সিউলে দুই দিনব্যাপী এক সম্মেলন শুরু করেছেন।

media challenge conference

তিনটি পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানসহ ২৮ দেশের ৩২টি সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় সংবাদ সংস্থার (ওএএনএ) ১৭তম সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে কেন্দ্রীয় সিউলের লোট্টে হোটেলে জড়ো হয়েছেন।

আঞ্চলিক সংবাদ বিনিময়কে উৎসাহিত করতে ইউনেসকোর উদ্যোগে ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ওএএনএ প্রতি তিন বছর পরপর সাধারণ অধিবেশন আয়োজন করে। এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৩৫ দেশের মোট ৪৩টি সংবাদ সংস্থা এ সংগঠনের সদস্য।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইয়োনহাপ, চীনের সিনহুয়া, জাপানের কিউডো ও রাশিয়ার তাসের মতো সংবাদ সংস্থা এর সদস্য। উত্তর কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিও সদস্য, তবে তারা এ বছরের সম্মেলনে যোগ দেয়নি।

 

এ বছরের অংশগ্রহণকারীরা প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ভুয়া সংবাদ ও ভুল তথ্যের মতো বিষয়গুলো সাংবাদিকতার ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে তিনটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।

সকালের অধিবেশনে অংশগ্রহণকারীরা ৫জি মোবাইল প্রযুক্তির বিকাশ ও সাংবাদিকতায় এর প্রভাবের পাশাপাশি সার্বিক গণমাধ্যম শিল্প নিয়ে কথা বলেন। প্রতিনিধিরা বিকালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় মুন সংবাদ সংস্থাগুলোকে কোরিয়ার শান্তি প্রক্রিয়ায় অব্যাহত নজর রাখা ও সমর্থন দেয়ার আহ্বান জানান।

এ সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ওএএনএ’র পরবর্তী সভাপতি নির্বাচিত হবে ইয়োনহাপ। বার্তা সংস্থাটি আগামী তিন বছর সংগঠনটির নেতৃত্ব দেয়ার পাশাপাশি এর সচিবালয় হিসেবে কাজ করবে।

ইয়োনহাপ ৩০ বছরের বেশি সময় আগে ওএএনএতে যোগ দিলেও এ প্রথমবারের মতো আঞ্চলিক সংগঠনটির সভাপতি হতে যাচ্ছে। সংবাদ বিনিময় নিয়ে বিশ্বের ৭৭ দেশের ৮৯ সংবাদ সংস্থার সাথে ইয়োনহাপের চুক্তি আছে। তাদের ব্যুরো রয়েছে ২৫ দেশে এবং সংবাদ প্রকাশ করছে ইংলিশ, চীনা, জাপানিজ ও আরবিসহ ছয় ভাষায়।