advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে টালমাটাল পৃথিবী। ২০ মার্চ পর্যন্ত সাড়া পৃথিবীতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন। মৃত্যুর সাথে লড়ছেন প্রায় এক লাখের মতো মানুষ। বিশ্বজুড়ে প্রচুর লোকের চাকরি পড়েছে হুমকির মুখে। অনেকে আবার বাসা-বাড়ী থেকে কাজ করার অনুমতি পেয়ে গৃহবন্দি হয়ে আছেন। এই পরিস্থিতি ইন্টারনেটে ভিডিও প্রচারক প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্স ও ইউটিউব তাদের ভিডিও কোয়ালিটি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

youtube to reduce video quality for corona virus

যেহেতু প্রচুর লোক বাসা থেকে কাজ করছেন, ইউটিউব ও নেটফ্লিক্সের কারণে যাতে তাদের কাজের উপর প্রভাব না পড়ে তা নিশ্চিত করতে হাই ডেফিনেশন ভিডিও আপাতত দেখা যাবে না। এই সিদ্ধান্ত আপাতত ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমুহের জন্য প্রযোজ্য।

গুগলের মালিকানাধীন ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইট গুগল তাদের এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সরকার, মোবাইল অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডর প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করছি। আপাতত ইউকে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর দর্শকরা ডিফল্ট ভিউয়ের ভিডিওতে কম কোয়ালিটি পাবেন। আগামী ৩০ দিনের জন্য আমরা ডিফল্ট ভিউয়ের কোয়ালিটি কমিয়ে দিচ্ছি।”

এর আগে ইউরোপিয়ান কমিশনার থিয়েরি ব্রেটন ইউটিউবকে বলেন জরুরি প্রয়োজন না হলে হাই ডেফিনেশন আপাতত বন্ধ রাখা উচিত। এরপরই ইউটিউব ডিফল্ট ভিউয়ের ক্ষেত্রে ভিডিও কোয়ালিটি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যাতে ইন্টারনেট ট্রাফিক চাপ খুব বেশি না হয়।

এই সিদ্ধান্তের পর থিয়েরি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “ইন্টারনেট যাতে সহজভাবে কাজ করে এই জন্য ভিডিও কোয়ালিটি কমিয়েছে ইউটিউব। তাদেরকে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ। করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিকালের তাদের সিদ্ধান্ত বেশ কাজে দিবে।”

যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মোবাইল ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেট বান্ডিলের ভলিউমের লিমিট বাদ দিয়েছে। অর্থাৎ জরুরি যোগাযোগের জন্য সেবাগ্রহিতারা যতো প্রয়োজন ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাস গত ডিসেম্বর মাসে চীনের উহানে প্রথম ধরা পড়ে এবং এরপর থেকে প্রায় আড়াই লাখ লোক এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২০জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন।