advertisement
আপনি দেখছেন

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ মারাত্মক বিপদের মুখে পড়েছে। লকডাউনের কারণে বহু এলাকার মানুষ খাবার সংগ্রহ করতে পারছেন না। ফলে দেখা দিয়েছে অভূতপূর্ব খাদ্য সঙ্কট। এ ছাড়া অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পড়ে গেছে অসিত্ব হারানোর ঝুঁকিতে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যে আন্তর্জাতিক ফান্ড গঠিত হয়েছে, তাতে একশ বিলয়ন ডলার প্রদান করেছেন টুইটার প্রধান জ্যাক ডর্জি।

twitter co owner jack donate 1bn for coronavirus

এই বিপুল অর্থ তিনি টুইটারের সম্পত্তি থেকে নয়, বরং নিজের কামানো অর্থ থেকে দান করেছেন। জ্যাক বলেছেন, এই এক বিলিয়ন ডলার তার ব্যক্তিগত সম্পদের ২৮ শতাংশ। বর্তমান বৈশ্বিক মহামারিতে ব্যক্তিগতভাবে এতো বিপুল অর্থ দান করার কথা আর শোনা যায়নি। ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্স অনুসারে জ্যাকের মোট সম্পদের আর্থিক মূল্য ৩.৯ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস করোনা ভাইরাসসৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য এক মিলিয়ন ডলার প্রদান করেন। জ্যাকের আগে এটিই ছিলো সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত অনুদানের রেকর্ড। জেফ বেজোস বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। তিনি তার অনুদানটি দিয়েছেন ‘ফিডিং আমেরিকা’ নামের একটি উদ্যোগে, যা খাদ্য সঙ্কটে পড়ে মানুষের সহায়তার জন্য কাজ করে।

অনুদান ঘোষণা দেওয়ার সময় ৫৬ বছর বয়সী বেজোস বলেন, “খাদ্য সঙ্কট আমেরিকার সব সময়ের সমস্যাগুলোর একটি। সাধারণ সময়েও আমরা খাদ্য সঙ্কটের কথা শুনি। দুঃখজনক হলো কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে খাদ্য সঙ্কট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।”

যেখানে জ্যাক তার সম্পদের ২৮ শতাংশ অনুদান হিসেবে প্রদান করেছেন, সেখানে বেজোসের অনুদান তার মোট সম্পদের একশ ভাগের এক ভাগেরও কম, এমনই জানিয়েছে গার্ডিয়ান।

এর আগে, বিল গেটসের গেটস ফাউন্ডেশন করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন, টেস্টিং এবং অন্যান্য চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের ঘোষণা দেন। ডেল কম্পিউটরের প্রধান মাইকেল ডেল ঘোষণা দেন ১০০ মিলিয়ন ডলার অনুদানের।

ওয়ার্ল্ড মিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে ১৪ লাখের বেশি লোক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে ৮২ হাজারের বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে। এখনো আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন ১০ লাখের বেশি লোক এবং তিন লাখের কিছু বেশি লোক সুস্থ হয়েছেন।