advertisement
আপনি পড়ছেন

অর্থ সংকটসহ নানা সমস্যায় ভুগছে রাষ্ট্রায়ত্ব মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে চতুর্থ জেনারেশনের ইন্টারনেট সেবা বা ফোরজি চালু করতে পারেনি রাষ্টায়ত্ব প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি সচিবালয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে ফোরজি চালু করতে কিছুদিন সময় চেয়েছে টেলিটক। তবে ফোরজি চালু করতে না পারলেও প্রতিষ্ঠানটি ফাইভজি নিয়ে ভাবছে।

5G network

দেশের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম যুগান্তর তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ফোরজি সেবা চালুর পর টেলিটক সবার আগে যেন ফাইভজি চালু করতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে এখনই প্রস্তুতি নিতে বলেছে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি। ফলে আগে থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে দেশে সবার আগে ফাইভজি নিয়ে আসতে চায় টেলিটক।

সংসদীয় কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, শওকত হাচানুর রহমান (রিমন) এবং কাজী ফিরোজ রশীদ। বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারও অংশ নেন।

বৈঠকে জানানো হয়, টেলিটকের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভাগীয় শহরে ফোরজি সেবা চালুর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী আগস্ট মাসে ফোরজি সেবা চালু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে টেলিটক কর্তৃপক্ষ।

এর আগে গত মার্চ মাসে ডাক-টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বিটিআরসিকে এক নির্দেশনায় বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের (ফাইভজি) টেলিযোগাযোগ সেবা চালুর প্রস্তুতি নিতে হবে। ফোরজি সেবা চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়েছিল। কিন্তু ফাইভজি চালুর ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে আর পিছিয়ে পড়া যাবে না।’

গত ফেব্রুয়ারিতে বেশ ঢাক-ঢোল পিটিয়ে দেশে চতুর্থ প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ সেবা ফোরজি চালু হয়। সেবাটি চালু হলেও গ্রাহক পর্যায়ে ফোরজি নিয়ে রয়েছে নানা অভিযোগ। সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা বলছেন, ‘থ্রি-জিই পাইনা ঠিকমতো আবার ফোরজি।’ গ্রাহকরা ইন্টারনেট সেবার দাম কমিয়ে নেটের স্পিড ও নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার দাবি জানিয়েছেন।