advertisement
আপনি পড়ছেন

প্রস্তবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় বাংলালিংকের চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে যে বিষয়গুলো আমরা উত্থাপন করে আসছি, এবারের প্রস্তবিত বাজেটে সেগুলো রাখা না হওয়ায় আমরা আশাহত। গতকাল বৃহস্পতিবার বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। 

 budget 2019 20 banglalink

বিবৃতিতে তাইমুর রহমান বলেন, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এবং ডিজিটাল বিপ্লবকে ত্বরান্বিত করতে আমরা গ্রাহকদের সাশ্রয়ী মূল্যে সেবা দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে মোবাইল ফোন সিম-রিম কার্ডের মাধ্যমে প্রদানকৃত সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক পাঁচ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ১০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিমের ওপর কর ১০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২০০ টাকা করা হয়েছে। যা ডিজিটাল সেবার প্রসারে ব্যাপরভাবে বাধাগ্রস্থ করবে।

আরো উল্লেখ করা হয় , স্মার্টফোনকে উচ্চবিত্তদের ব্যবহারযোগ্য পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে এর উপর ১৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে এখন স্মার্টফোনে আরোপিত শুল্ক ২৫ শতাংশ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা বলেছে ফোরজি সেবা চালু হবার পর থেকে দেশে স্মার্টফোনের চাহিদা বাড়ছে। এখান থেকে পর্যাপ্ত ডিজিটাল সুবিধা পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা।

এবারের বাজেটে মোবাইল কোম্পানির আয়ের ওপর সর্বনিম্ন শুল্ক ০.৭৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে দুই শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে যেসব মোবাইল কোম্পনি লাভজনক নয় সেগুলোর করের বোঝা বেড়ে যাবে। পাশাপাশি শেয়ার হোল্ডাররা বিনিয়োগ করতে নিরুৎসাহিত হবেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করেন তিনি।

গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে সবশেষে তিনি সরকারকে বিষয়টি পূনর্বিবেচনা করার অনুরোধ জনান।