advertisement
আপনি পড়ছেন

এমনিতেই স্মার্টফোন ব্যবসা প্রায় ধসে গেছে, তার উপর এখন ফাইভজি নেটওয়ার্কের মৌলিক কারিগরি সহায়তা ও যন্ত্রাংশও আর সরবারাহ করতে পারবে না হুয়াওয়ে। চীনা প্রতিষ্ঠানটির জন্য যা এক বিশাল ধাক্কা।

huawei is banned in netharlands to supply 5g equipments

নেদারল্যান্ডসের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, বড় ডাচ টেলিকম অপারেটরদেরকে ফাইভজি যন্ত্রাংশ দিতে পারছে না হুয়াওয়ে। এএনআই এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের একটি সংবাদ মাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দশক আগে থেকেই কেপিএনের মোবাইল নেটওয়ার্কে হুয়াওয়ের একসেস আছে। এই প্রতিবেদন প্রকাশের এক মাসের মাথায় দেশটিতে ফাইভজি যন্ত্রাংশ সরবারহের অধিকার হারালো হুয়াওয়ে।

প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হওয়া চীনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা ডাচ মোবাইল অপারেটরদের প্রতিটি কল শুনতে পারতো।

২০১০ সালের একটি প্রতিবেদনও এ রকম বলা হয়েছিলো। তখন দাবি করা হয়েছিলো, হুয়াওয়ে ডাচ মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারি মন্ত্রীদের কথা শুনতে ও রেকর্ড করতে পারতো। শুধু তাই না, মোবাইল ডেটাবেজেও তাদের প্রবেশক্ষমতা ছিলো।

সাবেক রাষ্ট্রমালিকানাধীন অপারেটর কেপিএন ২০০৯ সালে মোবাইল অপারেটরদের বাজারে এক নম্বর ছিলো। তখন তাদের গ্রাহক ছিলো ৬.৫ মিলিয়ন। তাদেরকে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করতো হুয়াওয়ে।

চীনা প্রতিষ্ঠানটির ডাচ মুখপাত্র বলেছেন, “আমরা নেদারল্যান্ডসে কোনো ফাইভজি যন্ত্রাংশ সরবারাহ করি না।”

নেদারল্যান্ডসের হুয়াওয়ের কর্মকর্তারা পুরো বিষয়টি সম্পর্কে তেমন কোনো তথ্য দিতে পারেননি। তবে তারা নিশ্চিত করেছেন যে ফাইভজির মূল যন্ত্রাংশ তারা নেদারল্যান্ডসে দিচ্ছেন না। কিন্তু অ্যান্টেনা সরবারহ করার ক্রয়াদেশ এখনো তারা পাচ্ছেন, এবং তাদের দাবি এখন নেদারল্যান্ডসে হুয়াওয়ে শুধুমাত্র অ্যান্টেনাই বিক্রি করছে।

নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ আখ্যায়িত করে যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের যন্ত্রাংশের ব্যবহার অনেক আগেই বন্ধ করেছে। আরো কয়েকটি দেশে জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় হুয়াওয়ের নেটওয়ার্ক যন্ত্র ব্যবহার করা হয় না।