advertisement
আপনি দেখছেন

জিততে হলে করতে হতো ৩৭৭ রান। এতো রান চেজ করে এর আগে কখনোই জিতেনি শ্রীলঙ্কা।  ২০০৬ সালে সর্বোচ্চ ৩২৪ রান করে ইংলিশদের হারিয়েছিলো। অর্থাৎ আজ তাদের জিততে হলে নিজেদের সেরা রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে হবে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ৩১৩ রান করে জয়ের রেকর্ড আছে লঙ্কানদের। ১৯৯২ সালে এই রান করে জিম্বাবুয়েকে হারিয়েছিলো তারা। সুতরাং অস্ট্রেলিয়ার সাথে জয়ের জন্য নতুন করে লিখতে হতো দুটি ইতিহাসই। পারেনি শ্রীলঙ্কা। সাঙ্গাকারার সেঞ্চুরির পরও লঙ্কানরা গুটিয়ে গেছে ৬৪ রান পিছনে থাকতে। পাঁচ ম্যাচে তিন জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দুই-এ অবস্থান অসিদের। পাঁচ ম্যাচে দুই হার ও তিন জয়ে তিন-এ শ্রীলঙ্কা।

রোববার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। ১৯ রানে তাদের প্রথম উইকেটের পতন হয়। তখনও বোঝা যায়নি এতো বড় রান করতে পারে অসিরা। ইনিংসের বয়স যতো বেড়েছে, ততোই শানিত হয়েছে তাদের ব্যাট। ফলে লঙ্কান বোলারদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে দ্রুত রান তুলেছে স্বাগতিকরা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। এ রান করতে মাত্র ৫৩ বল খেলেন তিনি। তিনি ১০টি চার ও ছয়টি ছয় মারেন। আজ ম্যাক্সওয়েলের সামনে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছিলো লঙ্কান বোলিং লাইন।

অসিদের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ রান করেন স্টিভেন স্মিথ। দলের সর্বোচ্চ ১৩৪ রানের জুটিতে মাইকেল ক্লার্কের সঙ্গী ছিলেন তিনি। স্মিথ ৭২ করলেও ক্লার্ক আউট হন ৬৮ রানে। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি ক্লার্ক। প্রথম ম্যাচে ইনজুরির কারণে এবং পরের ম্যাচে বৃষ্টির কারণে মাঠে নামা হয়নি তার। এ ছাড়া অসিদের হয়ে ৬৭ রান করেন শেন ওয়াটসন। ৪১ বলে এই ইনিংসটি খেলেন তিনি।

অসিদের সামনে অসহায় হয়ে পড়া লঙ্কান বোলিং লাইনে সফলতম ছিলেন ল্যাসিথ মালিঙ্গা। ১০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন তিনি। দুটি উইকেট নেন থিসারা পেরেরাও। তবে তিনি রান দিয়ে ফেলেছেন অনেক বেশি। থিসারা খরচ ৯ ওভারে ৮৭ রান।

পরে জবাব দিতে নেমে পাঁচ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে ধাক্কা খায় লঙ্কানরা। তারপরও তারা ৩১২ রান পর্যন্ত যায় সাঙ্গাকারার সেঞ্চুরিতে ভর করে। ১০৭ বলে ১০৪ রানের দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেন সাঙ্গাকারা। দিলশান করেন ৬২ রান। এ ছাড়া ৫২ রান করেন দিনেশ চান্দিমাল। এ ছাড়া আর কোনো লঙ্কান ব্যাটসম্যান বলার মতো কিছু করতে পারেননি। ফলে ইতিহাস গড়া হয়নি লঙ্কানদের।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি উইকেট নেন জেমস ফকনার। দুটি করে উইকেট নেন মিচেল স্টার্ক ও মিচেল জনসন। অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের সামনে পাহাড় টপকানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি করেও হারতে হয়েছে লঙ্কানদের। ৬৪ রান বাকি থাকতে ৪৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বল পর্যন্ত খেলেই অলআউট হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

 

আপনি আরো পড়তে পারেন

পাঁচে পাঁচ নিউজিল্যান্ড

জিম্বাবুয়ের পাঁচ রানের আক্ষেপ

পাকিস্তানের দুর্দান্ত জয়