advertisement
আপনি দেখছেন

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের ডিনস ইভ ও আল-নূর মসজিদে মুসল্লিদের ওপর একাধিক বন্দুকধারীর হামলার ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন তামিম, মিরাজ, তাইজুল ও মাহমুদুল্লাহরা। ভয়াবহ এ হামলার সময় ওই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়তে যাচ্ছিলেন তারা। এ সময় অজ্ঞাত এক নারীর কারণে তারা বেঁচে যান।

 new zealand mosque attack

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বাংলাদেশি এক সাংবাদিক জানান, জুমার নামাজ আদায় করতে আল-নূর মসজিদে প্রবেশের ঠিক আগ মুহূর্তে অজ্ঞাত এক নারী বাংলাদেশ দলের দিকে ছুটে আসেন। এ সময় তিনি সতর্ক করে বলেন, মসজিদের ভেতরে গোলাগুলি চলছে, দয়া করে আপনারা এখনই ভেতরে যাবেন না।

এরপরই মসজিদে না গিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বাংলাদেশ টিমের সদস্যরা। তারা সরাসরি বাসে এসে মেঝেতে শুয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থল নিরাপদ মনে না হওয়ায় খেলোয়াড়রা বাস থেকে বেরিয়ে পার্কের মধ্য দিয়ে ক্রাইস্টচার্চের হাগলি ওভাল স্টেডিয়ামে চলে যান। সেখানে তারা ড্রেসিংরুমে আশ্রয় নেন। তবে এ সময় দলের কোচিং স্টাফ এবং লিটন কুমার দাস ও নাঈম হাসান টিম হোটেলেই অবস্থান করছিলেন। তাদের সেখানেই থাকতে বলা হয়েছে।

tamim mushfiq newzealand

এদিকে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পর সবাই নিরাপদে আছেন বলে জানান বাংলাদেশ দলের ওপেনার তামিম ইকবাল। তিনি এক টুইটে বলেন, ‘পুরো দল বন্দুকধারীদের হাত থেকে বেঁচে গেছে। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

এ ঘটনায় মুশফিকুর রহীম এক টুইটে বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্‌! ক্রাইস্টচার্চে হামলার ঘটনা থেকে আল্লাহ্‌ আজ আমাদের বাঁচিয়ে দিলেন। আমরা অনেক বেশি ভাগ্যবান। কখনোই এমন ঘটনার সম্মুখীন হতে চাই না। আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

এ ঘটনা নিয়ে নিউজিল্যান্ড-বাংলাদেশ সিরিজ কাভার করতে যাওয়া ক্রিকইনফোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মোহাম্মদ ইসাম এক টুইটে বলেন, ‘হেগলি পার্কের কাছে মসজিদ থেকে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা পালিয়ে রক্ষা পেয়েছেন, যেখানে বন্দুকধারীরা হামলা চালিয়েছে।’

প্রসঙ্গত, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ খেলতে দেশটি সফরে রয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা। ক্রাইস্টচার্চের হেগলি ওভাল মাঠে শনিবার ম্যাচটি হওয়ার কথা ছিল। তবে হামলার প্রেক্ষিতে এটি বাতিল করা হয়েছে।