advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 20 মিনিট আগে

বিশ্বকাপ, অ্যাশেজের পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল) ক্রিকেটের তৃতীয় সেরা আসর মনে করেন কেউ কেউ। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্টটি অল্প সময়ে যে ঈর্শ্বনীয় সাফল্য পেয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সাফল্য পেলেও ফিক্সিং কেলেঙ্কারিটা তো আর গা থেকে মুছতে পারবে না আইপিএল।

dhoni chennai sad

২০১৫ সালে চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রাজস্থান রয়্যালসের দুই কর্মকর্তা ভয়ঙ্কর ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়েছিলেন। যার ধরুন এই দুই দলকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। সেই সময় বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটে। আইপিএলের তো ক্ষতি হয়েছেই, বড় ক্ষতি হয়েছে দুই দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারেরও।

প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে ওই ঘটনা রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ক্যারিয়ারকেই নড়বড়ে করে দিয়েছে। মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই হয়তো সবচেয়ে বেশি ধকল পোহাতে হয়েছিল। সেই সময় ধোনি ছিলেন চেন্নাই সুপার কিংসের সর্বেসর্বা। ফলে বলাবলি হচ্ছিল ধোনিও ফিক্সিংয়ে জড়িত।

এই কথা হজম করতে এবং নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির দলে সেট হতে কম যন্ত্রণা পোহাতে হয়নি ধোনিকে। চেন্নাই দু’বছর নিষিদ্ধ হয়েছিল বলে পুনেতে খেলতে এসেছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। পুনেতে এসে অধিনায়কত্ব হারানোর পর একটা পর্যায়ে একাদশ থেকেই বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছিল ধোনির।

সেই যন্ত্রণা ভোলেননি ভারতের সবচেয়ে সফলতম অধিনায়ক। নিষেধাজ্ঞা শেষে চেন্নাই যখন আরেকটি আইপিএল খেলতে প্রস্তুত তখন ধোনি বললেন, দলের কারো বা দল কর্তকর্তাদের অপরাধের জন্য তিনিসহ বাকি ক্রিকেটারদের যে অপবাদ বা শাস্তি ভোগ করতে হয়েছে সেটা মোটেও ঠিক হয়নি।

পুরনো স্মৃতি মনে করে ধোনি বলেন, ‘এটা ঠিক ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফ থেকে ভুল হয়েছিল। কিন্তু তাতে কী ক্রিকেটাররা জড়িত ছিল? আমরা কী দোষ করেছিলাম যে আমাদের এতো কিছুর মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল?’

ধোনি বলেন, ‘ফিক্সিং নিয়ে কথাবার্তায় আমার নামও উঠত। মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাবে সবকিছু দেখানো হতো যেন ফিক্সিংয়ে আমাদের দল জড়িত, আমিও জড়িত। এটা কী সম্ভব? হ্যাঁ এটা ঠিক যে ফিক্সিংয়ে কেউ জড়িত থাকতে পারে। ব্যাটসম্যান, বোলার বা আম্পায়ার। কিন্তু দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটার যুক্ত না থাকা সত্ত্বে কিভাবে বলা সম্ভব যে দল জড়িত।’

sheikh mujib 2020