advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 14 মিনিট আগে

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) দ্বাদশ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে রীতিমতো সম্ভ্রম নিয়েই টান পড়ল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর। আসরের প্রথম ম্যাচেই ৭০ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জায় পড়তে হলো তাদের। মামুলি লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছাতে বেগ পেতে হলো না চেন্নাই সুপার কিংসের।

csk elebrate with harbhajan after his wickets

তবে বিস্ময়কর হচ্ছে- এমন ম্যাচে জয়ের জন্য চেন্নাইকে যেতে হলো ১৭তম ওভার পর্যন্ত। মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের ব্যাটিং কতটা ঘুমপাড়ানি ছিল তা বোঝাতে এই তথ্যটুকুই যথেষ্ঠ। শেষ অবধি ১৪ বল বাকি থাকতে সাত উইকেটের বড় জয় দিয়ে আইপিএলে যাত্রা শুরু করল চেন্নাই।

টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই মহা বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ব্যাঙ্গালুরু। চেন্নাই স্পিনারদের তোপের মুখে সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিল লেগে যায় কোহলিদের। উইকেটে যেন বিষ ঢেলে দিয়েছিলেন পিচ কিউরেটর! সেই বিষে ব্যাঙ্গালুরু এতটাই নীল হলো যে, দলের দশজনই যেতে পারলেন না দুই অংকে!

ব্যাঙ্গালুরু আরো বড় লজ্জায় পড়তে পারতো যদি না পৃথিব প্যাটেল উইকেটে মাটি কামড়ে পড়ে না থাকতেন। ৩৫ বলে ২৯ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার। এই ইনিংস খেলার পথে তিনি দেখেছেন কীভাবে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে দলের ব্যাটিং অর্ডার।

তিনটি করে উইকেট তুলে নিয়ে ব্যাঙ্গালুরুকে ধসিয়ে দিয়েছেন হরভজন সিং ও ইমরান তাহির। দুটি শিকার রবিন্দ্র জাদেজার। চার ওভারে ২০ রান দেওয়া হরভজন হয়েছেন ম্যাচ সেরা। অথচ বিস্ময়কর হচ্ছে চার ওভারে মেডেনসহ মাত্র নয় রান দেওয়া তাহির পেলেন পার্শ্ব নায়কের চরিত্র!

বোলাররা লক্ষ্যমাত্রা হাতে একেবারেই নাগালে রেখেছেন। চেন্নাইর ব্যাটসম্যানরা সুন্দর একটা সমাপ্তি টেনেছেন। আজ রান তুলতে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাদেরও। তা না হলে ম্যাচটা কী ১৮তম ওভার পর্যন্ত যায় নাকি!

৪২ বলে সর্বোচ্চ ২৮ রান করেছেন আম্বাতি রায়ডু, ২১ বলে ১৯ রান এসেছে সুরেশ রায়নার ব্যাট থেকে। ১৯ বলে ১৩ রানে অজেয় ছিলেন কেদার যাদব। তাদের ব্যাটিং দেখে যে কারোর মনে হতে পারে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট নয়, টেস্ট খেলতে নেমেছে চেন্নাই। এমন উদ্বোধনী ম্যাচ এবারই প্রথম দেখল আইপিএল।

sheikh mujib 2020