advertisement
আপনি দেখছেন

২০১৪ সালের শুরুটা যেমন হতাশায় মোড়া ছিলো, শেষটা তা হলো না। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজ সামনে রেখে সমর্থকরাও আশায় বুক বেঁধেছিলেন। বছরের শেষটা ভালো বিশ্বকাপ-যাত্রার কথা বলেছিলেন টেস্ট দলের অধিনায়ক মুশফিকও। পরে একই কথা শোনা গেছে ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফির কণ্ঠেও। সবার ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে টানা জয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করা গেছে সিরিজ জয়।

তারপর থেকেই চোখ আটকে গেছে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে। সে লক্ষ্য পূরণের প্রাথমিক কাজও সারা শেষ, এখন কেবল শেষ ম্যাচ জিতে হোয়াইটওয়াশের অপেক্ষা।

সোমবার বাংলাদেশ সময় দুপুরে সাড়ে ১২টায় জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে মাঠে নামবেন মাশরাফিরা। ম্যাচটি জিততে পারলে অষ্টমবার প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করার স্বাদ পাবে বাংলাদেশ।

এবার হলে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করা হবে দ্বিতীয়াবার, এর আগে ২০০৬ সালে দেশের মাটিতে প্রথমবার তাদের বিরুদ্ধে সিরিজের সব ম্যাচে জিতেছিলো বাংলাদেশ।

হোয়াইটওয়াশ লক্ষ্য বলেই সিরিজ জয়ের পরও প্রতিটি ম্যাচ নিয়ে সিরিয়াস মাশরাফির দল। চতুর্থ ম্যাচে কিছুটা নিরীক্ষা করা হয়েছে একাদশ নিয়ে। সোমবারের ম্যাচেও হয়তো তা করা হবে। তাই বলে ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশ ঝুঁকি নিচ্ছে, তা কিন্তু নয়। বিশ্বকাপের আগে সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের বাজিয়ে নিতেই উদ্যোগটা নিতে হয়েছে বিসিবিকে। ফলে এর মধ্যে কোনো ত্রুটি দেখছেন না স্বয়ং অধিনায়ক মাশরাফি।

পঞ্চম ওয়ানডের স্কোয়াডে সৌম্য সরকারের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘সৌম্যর এক জায়গায় বল করে যাওয়ার ক্ষমতা আছে। সাথে ব্যাটিং তো আছেই। সে যদি ভালো করতে পারে, তবে দলের জন্য দারুণ কাজে দিবে।’

এদিকে জিম্বাবুয়েও চাইছে জিততে। রোববার সংবাদ মাধ্যমের সাথে কথা বলেছেন জিম্বাবুয়ের তারকা ক্রিকেটার মাসাকাদজা। টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডে সিরিজ হারলেও দমে যেতে চায় না তারা। শেষ ম্যাচ জিতে সান্ত্বনার জয় চায় তারা।

sheikh mujib 2020