advertisement
আপনি দেখছেন
সর্বশেষ আপডেট: 48 মিনিট আগে

এশিয়ান ইমার্জিং কাপে ফাইনালের আগ পর্যন্ত স্বাগতিক বাংলাদেশ ছিল অপ্রতিরোধ্য। গ্রুপ পর্বে ভারতসহ তিন দলকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, সৌম্য সরকাররা। তবে ফাইনাল জিততে পারল না দুর্বার বাংলাদেশ। পাকিস্তান ইমার্জিং দলের বিপক্ষে ৭৭ রানে হেরে শিরোপা স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে স্বাগতিকদের।

afif emerging cup finalআফিফ হোসেন ধ্রুব- ফাইল ছবি

এভাবে শিরোপা বঞ্চিত হওয়ার যন্ত্রণা নিশ্চয় অনেকদিনই পোড়াবে বাংলাদেশকে। কারণ টুর্নামেন্টজুড়ে শান্ত, সৌম্যরা হারল মাত্র একটি ম্যাচ, আর সেটাই ফাইনাল।

মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ইমার্জিং কাপের ফাইনাল নিয়ে বেশ ভালো উত্তেজনাই দেখা গেছে আজ। ফাইনাল ম্যাচ সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল বিসিবি। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্বার বাংলাদেশকে উৎসাহ দেওয়ার ব্যবস্থা করতেই বিসিবির এই উদ্যোগ। কিন্তু ফাইনালে বারবার ব্যর্থ হওয়া বাংলাদেশের ঘাড়ে ভূত চেপে ধরল আজও!
টস জিতে পাকিস্তানকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠালে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০২ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে সফরকারী দলটি। ১১১ বলে ১২ চার ৩ ছয়ে পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ১১৩ রান করেছেন রোহাইল নাজির। টুর্নামেন্টজুড়ে দুর্দান্ত বোলিং করা সুমন খান, সৌম্য সরকাররা সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি পাকিস্তানের বিপক্ষে।

সৌম্য, নাঈম শেখ, নাজমুল হোসেন শান্ত, আফিফ হোসেন ধ্রুবরা ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বলে তবুও স্বপ্ন দেখছিলেন অনেকে। সেই স্বপ্ন মিলিয়ে গেছে অল্পতেই।

দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সৌম্য ৬ বলে ১৫ রান করে ফিরেছেন শুরুতেই। নাঈম শেখও (১৬) সুবিধা করতে পারেননি। শান্ত, আফিফ অবশ্য রান পেয়েছেন তবে তা পর্যাপ্ত ছিল না।

পাকিস্তানের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা পেসার হাসনাইনের গতির সামনে সুবিধা করতে পারেননি বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। শান্ত ৫৩ বলে ৫ চারে ৪৬ রান করে ফিরেছেন। আফিফ ৫৩ বলে ৪ চার ১ ছয়ে ফিরেছেন ৪৯ রান করে। বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোরার মেহেদি হাসান। নয়ে নেমে ৪২ করেছেন এই স্পিনার। শেষ পর্যন্ত ৪৩.৩ ওভারে ২২৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের হয়ে হাসনাইন ৩২ রান খরচায় তিন উইকেট নিয়েছেন। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন খুশদিল শাহ ও সাইফ বাবর। ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানে বিপক্ষে মাত্র ২ রানে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় দলকে। আজ তরুণ টাইগাররা পারলেন না সেই দুঃখ ভুলিয়ে দিতে।

sheikh mujib 2020