advertisement
আপনি দেখছেন

বঙ্গবন্ধু বিপিএলের শুরুটা ভালো হয়নি 'বিগ বাজেটে'র দল ঢাকা প্লাটুনের। নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে ১৩৪ রানে আটকে গিয়ে নয় উইকেটে হেরেছিল মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। তবে ফেভারিটরা ঘুরে দাঁড়াতে সময় নিলো না। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লা ওয়ারিয়ার্সের বিপক্ষে দাপুটে জয়ের পর আজও দাপুটে জয় তুলে নিলো দলটি। সিলেট থান্ডার্সের বিপক্ষে আজ ২৪ রানে জিতেছে ঢাকা।

tamim bijoy dhaka bpl

তিন ম্যাচের দুটিতে জেতা ঢাকা এখন পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে। এদিকে, মোসাদ্দেক হোসেনের সিলেট থান্ডার্স তিন ম্যাচ খেলে তিনটিতেই হেরে নেমে গেছে টেবিলের তলানিতে।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকার ১৮২ রানের জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকেছে সিলেট। ঝড়ের আভাস দিয়ে ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার যখন ৬ বলে ১০ রান করে ফিরলেন তখন সিলেটের দলীয় রান ১৩। এরপর তিনে নেমে জনসন চার্লস অবশ্য সিলেটের সমর্থকদের ভালোভাবেই জাগিয়ে তুলেছিলেন। ৩ চার ১ ছয়ে থিসারা পেরেরার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভার থেকেই ১৮ রান তুলে নেন সিলেটের ক্যারিবীয়ান ক্রিকেটার।

তবে ঝড়টা বেশিক্ষণ অব্যাহত রাখতে পারেননি ডানহাতি ব্যাটসম্যান। পরের ওভারেই মাশরাফি বিন মর্তুজার দারুণ এক থ্রোতে রান আউট হয়ে ফিরেছেন, সিলেটও পথ হারিয়েছে সেখানেই। চার্লস ফেরার পর ৯ রানের ব্যবধানে মোহাাম্মদ মিঠুন (৯) ও শফিকুল্লাহকে (২) ফিরিয়ে সিলেটের কোমর ভেঙে দেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও মাহমুদুল হাসান। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি সিলেট।

মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ছয়ে নেমে দর্শকদের বিনোদন দিয়ে হারের ব্যবধান কিছুটা কমাতে পেরেছেন এই যা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানে থেমেছে সিলেট। মোসাদ্দেক ৪৪ বলে ৬ চার ২ ছয়ে অপরাজিত ৬৬ রানের দারুণ একটা ইনিংস খেলেছেন। ঢাকার হয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা ও মাহমুদুল হাসান।

প্রথম ইনিংস:

এর আগে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানের সংগ্রহ গড়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামা ঢাকা প্লাটুন। ঢাকার চ্যালেঞ্জিং স্কোড়ে বড় অবদান এনামুল হক বিজয়ের। অনেকদিন জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ওপেনার ৪২ বলে ৮ চার ১ ছয়ে ৬২ রান করেছেন। ঢাকার হয়ে আরো রান পেয়েছেন তামিম ইকবাল (২৮ বলে ৩১), থিসারা পেরেরা (১১ বলে ২২), জাকের আলি (১২ বলে ২০) ও ওয়াহাব রিয়াজ (৭ বলে ১৭*)।

সিলেটের পক্ষে একটি করে উইকেট পেয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন, নাঈম হাসান, ইবাদত হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন। এদের মধ্যে বেশি সফল মোসাদ্দেক। একটি মাত্র উইকেট পেলেও তিন ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করেছেন সিলেটের অধিনায়ক।

দুদলের পরবর্তী ম্যাচ:

সিলেটের পরবর্তী ম্যাচ ১৭ ডিসেম্বর। চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম দিনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মুখোমুখি হবে মোসাদ্দেক হোসেনের দল। ঢাকার পরবর্তী ম্যাচ ১৮ ডিসেম্বর, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে।

আগামী দিনের ম্যাচ:

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে আপাতত ঢাকা পর্বে বিরতি। বিপিএল চলে যাচ্ছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। টুর্নামেন্টের পরবর্তী ম্যাচ ১৭ তারিখে। ওই দিন প্রথম ম্যাচে রাজশহী রয়্যালসের মুখোমুখি হবে খুলনা টাইগার্স। দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে খেলবে সিলেট থান্ডার্স।