advertisement
আপনি দেখছেন

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে জয়ের স্বাদ পেয়েছে সাত দলের পাঁচটিই। ব্যতিক্রম কেবল সিলেট থান্ডার ও রংপুর রেঞ্জার্স। শেষ দলটি হেরেছে দুই ম্যাচের দুটিতেই। সিলেট তো হেরেই চলছে। আজ মঙ্গলবার বিপিএলের চতুর্থ হারের স্বাদ পেল সুরমা পারের দলটি।

chattogram challengers celebration after win

সিলেট এবার হেরেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেটকে চার উইকেটে হারিয়েছে বন্দর নগরীর দলটি। আগে ব্যাট করতে নেমে আট উইকেটে ১২৯ রানের পুঁজি তোলে সিলেট। জবাব দিতে নেমে ছয় উইকেট হারিয়ে দুই ওভার বাকি থাকতে জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

এই জয়ে লিগের পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে এলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। চার ম্যাচের তিনটিতে জেতা দলটার পয়েন্ট ছয়। সমান চার পয়েন্ট নিয়ে চট্টগ্রামের পেছনে আছে যথাক্রমে খুলনা টাইগার্স, রাজশাহী রয়্যালস ও ঢাকা প্লাটুন। শেষ দুটি দল ম্যাচ খেলেছে তিনটি করে; খুলনা দুটি।

ম্যাচ শুরুর আগেই একবার হেরে বসে সিলেট। হারে টসে। আগে ব্যাট করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি তারা। আন্দ্রে ফ্লেচার (৩২ বলে ৩৮) ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের (২২ বলে ৩০) ব্যাটে দলীয় সংগ্রহে শতক পেরিয়েছে সিলেট। অতিথিদের ‘অল্প’তে বেঁধে ফেলতে মূখ্য ভূমিকা রেখেছেন মেহেদি হাসান রানা।

চার ওভারে মেডেনসহ ২৩ রান খরচায় চার উইকেট তুলে নেন বাঁ-হাতি পেসার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন রানা। কিন্তু বোলাররা লক্ষ্যটা নাগালে রাখলেও ব্যাটসম্যানরা ম্যাচটা জিতেছেন কঠিন করে। ৫৬ রানের মধ্যে চট্টগ্রামের চার উইকেট ফেলে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলারও আভাস দিয়েছিল সিলেট।

যদিও সিলেটের ফেরার সম্ভাবনা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ওপেনার লেন্ডল সিমন্স ও ছয়ে নামা নুরুল হাসান সোহান। ৩৭ বলে তিনটি করে চার-ছক্কায় ৪৪ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন সিমন্স। ২৪ বলে দুটি চার ও তিন ছক্কায় ৩৭ রানে অজেয় ছিলেন নুরুল। অপরাজিত আরেক ব্যাটসম্যান কেসরিক উইলিয়ামস ১৭ বলে ১৪ রান করেছেন।