advertisement
আপনি দেখছেন

নিজেদের সর্বশেষ টেস্টে দুর্দান্ত এক ড্র করেছে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশ হেরেছে পাকিস্তানের মাটিতে। মুখোমুখি দুই দলের শেষ ম্যাচেও হেরেছে টাইগাররা। নিজেদের মাটিতে সবশেষ টেস্টেও একই দশা বাংলাদেশের। চট্টগ্রাম টেস্টে আফগান বিপর্যয়। ঢাকা টেস্টের আগে সাম্প্রতিক এই পরিসংখ্যান সামনে আসছে। যেখানে অনেকটাই এগিয়ে সফরকারী জিম্বাবুয়ে।

lalchand rajput zimbabwean head coach

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ওই ম্যাচের আগে নিজেদের নির্ভার রাখার চেষ্টা করলেন জিম্বাবুয়ের প্রধান কোচ লালচাঁদ রাজপুত। আজ প্রচারমাধ্যমকে জানালেন এই টেস্টে চাপে থাকবে বাংলাদেশই। কেন মুমিনুল হকরা চাপে থাকবেন সেটার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

সাভারে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুইদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ শেষে রাজপুত বলেছেন, ‘যখন কোনো দল টানা হারতে থাকে তখন তারাই চাপে থাকে। জিততে মরিয়া থাকে। ওরা ঘরের মাঠে খেলবে। তাই চাপটা আরো বেশি।’ জিম্বাবুয়ে কোচের বলা কথাগুলো একেবারেই অমূলক নয়। নিজেদের শেষ ছয় টেস্টের পাঁচটিতেই হেরেছে টাইগাররা। আরো বেশি হতাশার হচ্ছে, এর মধ্যে পাঁচটিতেই ইনিংস ব্যবধানে হার!

জিম্বাবুয়েক পেয়ে পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙার আশা দেখছে বাংলাদেশ। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে বৃত্ত ভাঙা যাবে তো? এক সময়ের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী জিম্বাবুয়েকেও যে এখন হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। বাংলাদেশে আসার আগে হারারে টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত লড়াই করেছে তারা। টাইগারদের মুখোমুখি হওয়া ২০১৮ সালে শেষ টেস্টেও জিতেছে তারা।

সিলেট টেস্টের পুনরাবৃত্তি এবার ঢাকাতেও করতে মরিয়া জিম্বাবুয়ে দল। কদিন আগে বিমানবন্দরে পা রেখে এমনই হুংকার ছেড়ে বসেছিলেন দলটির অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর। এবার রাজপুতও তাই বললেন, ‘শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত একটা সিরিজ খেলে এসেছি আমরা। শেষ টেস্টটা আমাদের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু দুটি টেস্টই পঞ্চম দিনে যাওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আশা করছি এবার জিতব আমরা।’

তবে বাংলাদেশ যতই চাপের মধ্যে থাকুক না কেন, ম্যাচটা যে সহজ হবে না সেটা জিম্বাবুয়ে কোচ মানছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা লড়াই করতে এখানে এসেছি। চেষ্টা করব যতটা সম্ভব তাদের চাপে রেখে খেলার। ক্রিকেটে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক দলই সবসময় চাপে থাকে। সেখান থেকেও কিন্তু তারা জেতে। আমরা ইতিবাচক আছি, সতর্ক আছি। আমাদের ধাপে ধাপে এগোতে হবে।’