advertisement
আপনি দেখছেন

ঘরের মাঠে প্রথাগত ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছে বাংলাদেশ। ঢাকা টেস্টের জন্য তৈরি করা হয়েছে স্পোর্টিং উইকেট। যার পূর্ণ সুবিধা প্রথম দিনে আদায় করে নিল জিম্বাবুয়ে। দিন শেষে প্রথম ইনিংসে ছয় উইকেটে ২২৮ রান তুলেছে সফরকারীরা। সেঞ্চুরি করেছেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। আউট হন ব্যক্তিগত ১০৭ রানে।

nayeem hasan celebrates a wicket

প্রেক্ষাপট বিবেচনায় জিম্বাবুয়েকে কিছুটা এগিয়ে রাখা হলেও দিনের খেলা শেষ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধি নাঈম হাসান জানালেন অন্য কথা। তার দাবি ম্যাচের নাটাই তাদের হাতে। নাঈম বলেছেন, ‘আমরা খুব ভালো অবস্থানে আছি।’ কোন বিবেচনায় স্বাগতিকরা ম্যাচে এগিয়ে সেটার ব্যাখ্যা অবশ্য দেননি তিনি।

তবে নাঈমের কথাতে বোঝা গেল শেষ বিকেলে সেঞ্চুরিয়ান আরভিনের উইকেটকেই মানদণ্ড হিসেবে নিয়েছেন তিনি, ‘আমরা আরভিনের উইকেট নিয়েছি। চেষ্টা করব যত দ্রুত সম্ভব তাদের অলআউট করার।’ উইকেট ব্যাটিংবান্ধব হলেও দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নাঈম। জিম্বাবুয়ের পতন হওয়া ছয় উইকেটের চারটিই তিনি নিয়ে বাংলাদেশের সেরা পারফর্মার তিনি।

পেসার আবু জায়েদ রাহি নিয়েছেন বাকি দুটো। তবে আলোচনায় থাকলেন শুধুই নাঈম। আজ ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে ৩৬ ওভার বোলিং করা নাঈম টানা ৩২ ওভার হাত ঘুরিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই কোনো বোলারের পক্ষে কাজটা কঠিন। এই কঠিন কাজটা করার মানসিক ও শারীরিক শক্তি তিনি পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিএসএল) থেকে।

বিএসএলের শেষ দুই ম্যাচে ২১ উইকেট নিয়েছেন নাঈম। দারুণ সেই পারফরম্যান্সই তার আত্মবিশ্বাসের বড় উৎস ছিল। নাঈম বলেছেন, ‘উইকেট দেখে কিছুটা অবাক হয়েছে জিম্বাবুয়ে। বল করা কঠিন ছিল। ব্যাটসম্যানদের সহায়ক ছিল। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছি এক জায়গায় বল ফেলার। টানা বোলিং করেছি; বিসিএল থেকে অভ্যাসটা হয়ে গেছে। এই উইকেটে আমরা খুশি।’

sheikh mujib 2020