advertisement
আপনি দেখছেন

উদযাপনের জন্য বরাবরই আলোচনায় থাকেন মুশফিকুর রহিম। তা বাংলাদেশের জয়ে হোক কিংবা ব্যক্তিগত অর্জনে। মুশফিক মানেই যেন উদযাপনে ভিন্নতা। আবারো বাধভাঙা উচ্ছ্বাস করে পাদ প্রদীপে অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। আজ ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ডাবল সেঞ্চুরির পরই দেখা গেল মুশফিকের গর্জন।

mushfiq action after double hundred

টেস্ট ক্যারিয়ারে এনিয়ে তৃতীয়বার দ্বিশতক হাঁকালেন মুশফিক। সেটাকে ট্রিপল সেঞ্চুরির রুপান্তর করতে না পারার কিছুটা আক্ষেপ তার আছে। তাই বলে আনন্দের ছিটেফোটার কমতি নেই। দ্বিশতকের পর সেটা তার উদযাপনেই বোঝা গেছে। আজ মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তার উদযাপনটা হলো মনে রাখার মতো।

বাউন্ডারি মেরে তিন অংক ছুঁয়েছেন মুশফিক। ডাবল সেঞ্চুরিতেও তাই। দুবারই তিনি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন জিম্বাবুয়ের এইন্সলি এন্দলোভুকে। বল সীমানা পার হতেই বাতাসে ঘুষি মরেন মুশি। ব্যাট-হেলমেট উঁচিয়ে ধরেন। পরে এগুলো রেখে দুই হাত আকাশে তুলে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। দিয়েছেন সিজদাহ।

mushfiqur rahim celebrations 2020

এর মাঝে ড্রেসিংরুমের দিকে তাকিয়ে সতীর্থদের দিকে ইঙ্গিত গর্জনের। দুই হাত খামচে দিয়ে মুখমণ্ডলে রাখলেন বাঘের হিংস্রতা। টাইগার তকমা পাওয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের অমন  উদযাপন বাঘের গর্জন ভাবতে পারেন যে কেউ। কিন্তু বাঘের নয়, ডাইনোসরের গর্জন দিয়েছেন মুশফিক!

আজ তৃতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুশফিক জানালেন অমন উদযাপনের নেপথ্য কারণ, ‘আমার ছেলে মায়ান ডাইনোসরের ভক্ত। ওকে উদ্দেশ্য করেই ডাইনোসরের গর্জন দিয়েছিলাম।’ ছেলে এবং পরিবারকে খুব ভালোবাসেন মুশি। ২০৩ রানের অজেয় ইনিংসটা একমাত্র সন্তান মোহাম্মদ শাহরোজ রহিম মায়ানকে উপহার দিয়েছেন তিনি।

ছেলে এবং পরিবারের সদস্যরা বারণ করাতেই পাকিস্তান সফর থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন মুশফিক। মাঠে ফিরেই উদযাপনের সহস্যে তাদের সামনে এলেন তিনি। জাতীয় দলে ফিরেই ক্যারিয়ারের চেনারূপে হাজির হলেন মুশি।